ঢাকা: দেশে ৮৮ লাখের বেশি সিম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অনেক গ্রাহক অভিযোগ করছেন, তাঁদের চলতি সিম নাকি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

মূলত একটা সিন্ডিকেট সিম নিয়েও হবে। গ্রাহকরা বলছেন, কয়দিন পরে সিম নিতে গেলে ৫০হাজার টাকা খরচ করতে হবে।

এত সংখ্যক সিম বন্ধ করার কারণ কী?

দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, সাইবার নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত সুরক্ষা দিতে নাকি গ্রাহকপ্রতি ১০টির বেশি সিমকার্ড বাতিল করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এতে দেশের ৮৮ লাখেরও বেশি সিমকার্ড বন্ধ হয়েছে।

আরও এক লাখ সিম মামলাসংক্রান্ত কারণে আটকে আছে। এর প্রভাব পড়েছে মোবাইল ব্যবহারকারী ও মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে।

তা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী সিমের বন্ধ করে উন্নত হবে? জনগণকে আর কত বোকা বানাবে এরা? প্রতিদিন এখন দেশে লাশ পড়ে। দেখার কেউ নেই। এই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে অবৈধ সরকার?

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে গ্রাহক কমছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিমের সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনা হলে এই খাতে আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নভেম্বর থেকে গ্রাহকের বিপরীতে ১০টির বেশি সিম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সিমের সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনতে বিটিআরসিকে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

তবে গ্রাহকদের অসন্তোষ ও আন্দোলনের কারণে তা এখনই বন্ধ করা হবে না। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

টেলিযোগাযোগ সংস্থাটির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের নির্দেশনা ছিল গ্রাহকপ্রতি ১০টি সিমে নামিয়ে আনা। এতে প্রায় ৮৯ লাখ অতিরিক্ত সিম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৮৮ লাখের বেশি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাকি এক লাখ সিম ভিআইপিসহ বিভিন্ন মামলা চলমান থাকায় স্থগিত করা হয়েছে। তবে দ্রুতই সেগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে।’

আরও বলেন, ‘মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা ছিল সিম সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনার। কিন্তু সামনে যেহেতু নির্বাচন এবং ৬ থেকে ১০টি সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেশি, তাই সেটি আমরা এখনই করছি না। নির্বাচনের পর পাঁচটিতে নামিয়ে আনতে কাজ করব।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *