ঢাকা: সজীব ওয়াজেদ জয় বরাবর বার্তায় কিংবা সাক্ষাৎকারে বলে আসছেন শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন।

বলছেন, মা ফের বাংলাদেশে ফিরবেন। সে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হলেই সেখানে যাবেন। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছিলেন শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

তাঁর কথায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের পরিবারের সদস্যরা কখনই দেশের মানুষকে ত্যাগ করবে না। এমনকি আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মীদেরও অসহায় অবস্থায় রাখবে না বলে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন হাসিনা-পুত্র।

এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, এটা সত্যি যে, আমি বলেছিলাম মা আর দেশে ফিরবে না। তবে গত দুদিনে অনেক কিছু বদলে গিয়েছে। লাগাতার আওয়ামী লিগের নেতাদের উপর আক্রমণ-হামলা করা হচ্ছে।

কী বলেছিলেন  দেখুন জয়:

https://www.facebook.com/share/r/1HQgsjkoLE/

এই অবস্থায় দলের নেতা-কর্মীদের পাশে থাকার প্রয়োজন আছে। বাঁচানোর প্রয়োজন আছে। আর তা করতে যা যা দরকার, সব করার কথা বলেন জয়। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান।

এদিকে, সম্প্রতি আল জাজিরার মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে চান। নিজের দেশের মাটিতে, নিজের মানুষের মাঝেই তিনি থাকতে চান। তবে রাজনীতিতে আর সক্রিয়ভাবে থাকার কথা তিনি বলেননি। বয়সের কারণে তিনি নিজেকে রিটায়ার্ড ভাবছেন।

কিন্তু একটি বিষয় খুব পরিষ্কার—যে কোনো মূল্যে শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে চান।

এদিকে, সজীব ওয়াজেদ জয় তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে দেশবাসীকে সচেতনতা ও বিচক্ষণতার সাথে বাংলাদেশকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আসন্ন নির্বাচনকে তিনি ‘পাতানো নির্বাচন’ ও ‘অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সাজানো নাটক’ হিসেবে অভিহিত করে জনগণকে এতে অংশ না নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

পোস্টে তিনি বলেন, এই নির্বাচন কোনো স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হচ্ছে না। এটি মৌলবাদ প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যে নির্বাচনে স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে পরিকল্পিত ও বেআইনিভাবে নিষিদ্ধ করে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে, সেই নির্বাচন জনগণের হতে পারে না।

সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, “এই সরকার নির্বাচনকে গণতন্ত্রের উৎসব বানাতে চায় না। তারা নির্বাচনকে ব্যবহার করতে চায় মৌলবাদ প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে। ভোটের বাক্স নয়, পরিকল্পিত স্ক্রিপ্টই এখানে মূল বিষয়।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *