ঢাকা: রোগে আক্রান্ত ছিলেন অনেক বছর ধরেই বেগম খালেদা জিয়া। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।
২০২৪ এর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর খালেদা জিয়া লন্ডনে গিয়েও চিকিৎসা করিয়ে আসেন। ছিলেন পুত্র তারেক রহমানের বাড়িতে। তবে অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। ইদানীং আরো স্বাস্থ্যহানি ঘটে।
মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে মৃত্যু হয় খালেদা জিয়ার। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন। দুই দফায় দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খালেদা।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকবার্তা জানাতে একটুও ভোলেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
পড়শি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৫ সালে ঢাকায় খালেদার সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ হয়।
সেই ছবি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, ‘খালেদার ঐতিহ্য এবং দৃষ্টিভঙ্গিতেই আরও এগিয়ে যাক ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক।’
তাঁর প্রয়াণের খবর পেয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি।
শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ঢাকায় প্রয়াত হয়েছেন। এই খবরে আমি অত্যন্ত শোকাহত। তাঁর পরিবার এবং বাংলাদেশের সকলকে সমবেদনা জানাই। সর্বশক্তিমান তাঁর পরিবারকে এই ক্ষতি সামলানোর সাহস দিন।’
প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বাংলাদেশের উন্নতিতে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কেও তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আশা করি, খালেদার ঐতিহ্য এবং দৃষ্টিভঙ্গিতেই আরও এগিয়ে যাবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক। খালেদার আত্মা শান্তিতে ঘুমোক।’
