ঢাকা: দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ঢাকায় এসেছেন বিনোদনের জন্য নয়।
বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর দুটি বিতর্কিত সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষরের চাপ সৃষ্টি করতে এসেছেন।
তার এই সফরের প্রধান এজেন্ডা হচ্ছে ACSA স্বাক্ষর এবং GSOMIA চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রতিশ্রুতি আদায়।

ইউনূস তো এই দেশটাকে একদম অতল গহ্বরে নিয়ে ফেলেছেন।
ইউনূস ক্ষমতার চেয়ারটা ছেড়েছেন, ক্ষমতা ছাড়েননি।
এদিকে, আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।
এদিন, বুধবার (৪ মার্চ) সকালে তিনি প্রথমে শামা ওবায়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি মার্কিন এই সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, সাংবাদিকরা বৈঠকে আলোচিত বিষয়, বিশেষ করে অস্ত্র কেনাকাটা–সংক্রান্ত চুক্তি আকসা (অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং অ্যাগ্রিমেন্ট) এবং সামরিক গোপন তথ্য বিনিময় ও সুরক্ষাবিষয়ক চুক্তি জিসোমিয়া (জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন অ্যাগ্রিমেন্ট) নিয়ে প্রশ্ন করলেও তিনি কিন্তু এই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন।
ভালো আলোচনা হয়েছে বলেছেন। তা ভালো আলোচনাটা কী ধরনের? প্রতিশ্রুতি আদায় কী হয়ে গেলো?
উল্লেখযোগ্য যে, ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সামরিক লজিস্টিক সহায়তা সহযোগিতার নামে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র চায় প্রয়োজনে তাদের যুদ্ধবিমান ঢাকার বিমানবন্দর ও কক্সবাজার বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবে এবং সেখান থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে—এই বিষয়ে নিশ্চয়তা।
ACSA-এর আওতায় প্রয়োজন হলে মার্কিন মেরিন সদস্যরা কক্সবাজার ও কুতুবদিয়ায় অস্থায়ী ঘাঁটিও স্থাপন করতে পারবে।
আর, আরেকটি বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে ACSA স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ভারতের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তির জন্য ভারতের সম্মতি ছাড়া বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সামরিক সহায়তা চুক্তি করতে পারে না।
প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়েছেন, গদি ছেড়েছেন কিন্তু দেশকে বিক্রি করেননি।
২০১৯, ২০২২ সালে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার দুটি চুক্তি স্বাক্ষরে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলো।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জঙ্গী আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতনের পর আবার এসব চুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হয়। সবচেয়ে বড় জঙ্গী ইউনুসের মাধ্যমে এই বিষয়ে বিশেষ অগ্রগতি হয়।
এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার কী করবে, নিজের অবস্থান ধরে রাখবে না কি করবে সেটিই দেখার বিষয়।
উল্লেখযোগ্য যে, ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সামরিক লজিস্টিক সহায়তা সহযোগিতার নামে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং অ্যাগ্রিমেন্ট (ACSA) স্বাক্ষর করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র চায় প্রয়োজনে তাদের যুদ্ধবিমান ঢাকার বিমানবন্দর ও কক্সবাজার বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবে এবং সেখান থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে—এ মর্মে নিশ্চয়তা।
ACSA-এর আওতায় প্রয়োজন হলে মার্কিন মেরিন সদস্যরা কক্সবাজার এবং কুতুবদিয়ায় অস্থায়ী ঘাঁটিও স্থাপন করতে পারবে।
আর GSOMIA এমন একটি নিরাপত্তা কাঠামো, যার মাধ্যমে স্বাক্ষরকারী দুই দেশ সামরিক ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে বাধ্য থাকবে।
এছাড়াও একটি দেশ অপর দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে পারবে।
আর, আরেকটি বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে ACSA স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ভারতের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তির জন্য ভারতের সম্মতি ছাড়া বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সামরিক সহায়তা চুক্তি করতে পারে না।
এদিকে,পল কাপুর ঢাকায় অবতরণের আগে বাংলাদেশের ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কায়সার রশীদ তার স্ত্রীসহ সংক্ষিপ্ত সফরে দিল্লি যান।
প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়েছেন, গদি ছেড়েছেন কিন্তু দেশকে বিক্রি করেননি।
২০১৯, ২০২২ সালে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার দুটি চুক্তি স্বাক্ষরে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলো।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জঙ্গী আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতনের পর আবার এসব চুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হয়। সবচেয়ে বড় জঙ্গী ইউনুসের মাধ্যমে এই বিষয়ে বিশেষ অগ্রগতি হয়।
এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার কী করবে, নিজের অবস্থান ধরে রাখবে না কি করবে সেটিই দেখার বিষয়।
