ঢাকা: মশার উপদ্রব জঙ্গী, আর মৌলবাদীর উপদ্রব থেকে কিছু কম না। মারাত্মক অবস্থা।
গবেষণায় উঠে এসেছে ঢাকায় প্রতি ঘণ্টায় ৮৫০টি মশা কামড়াচ্ছে একজন মানুষকে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাসারের গবেষণা দলের সাম্প্রতিক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
এত যে দেশে মশা, সে দেশে অন্য রোগের আর দরকার পড়ে না। রাজধানীজুড়ে জেঁকে বসেছে মশার উপদ্রব। সন্ধ্যা নামার আগেই মশার ঝাঁক হানা দিচ্ছে বাসাবাড়ি, অফিস ও খোলা জায়গাগুলোতে।
সকাল, রাত সবসময় মশার কামড় থেকে নিস্তার নেই কারও। ঘরে বাইরে সব জায়গায় মশার দাপট চলমান। বিশেষ করে কিউলেক্স মশার তীব্রতা গতবছরের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়েছে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডে মশার উৎপাতে বাস করা দায় হয়ে গেছে।
কিন্তু সিটি করপোরেশনগুলোর কোনো প্রতিকার ব্যবস্থা চোখে পড়ে না। জনগণ সবক্ষেত্রেই ভুক্তভোগী হচ্ছে।
ড্রেন, ডোবাগুলো সময়মতো পরিষ্কার না করা, বাসাবাড়িরও চারপাশে ময়লা পানি জমা- সব মিলিয়ে অবস্থা বেগতিক। জনগণেরও অসচেতনতা আছে, সরকারের তো আছেই।
অধ্যাপক বাশার আশঙ্কা করছেন, এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তিনি বলেন, এক ঘণ্টায় পাঁচটি মশা কামড়াতে এলেই বিশ্বমানে তা বেশি। সেখানে ঢাকায় ৮৫০টি, এটি কেবল সংখ্যা নয়, এটি একটি বিপদ সংকেত।
এখন যদি বলা হয়, বিএনপির এই তথাকথিত মন্ত্রিপরিষদ এখন যে কাজটা করছে সেটা হলো ক্ষমতার মজা নেওয়া, নগর ব্যবস্থাপনা না, ভুল হবে না।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনো মেয়র নেই, কোনো ওয়ার্ড কাউন্সিলর নেই।
মশককর্মীরা মাঠে যাচ্ছে কিনা, কীটনাশক স্প্রে হচ্ছে কিনা, এইসব তদারকি করার একটা মানুষ নেই। অথচ এইসব দাম কেউ নেয় না।
সাধারণ মানুষ এখন প্রতি মাসে অডোমস কিনছে, গুড নাইট লিকুইড কিনছে, মশার কয়েল কিনছে। এই বাড়তি খরচটা এখন আর বিলাসিতা না, বেঁচে থাকার খরচ হয়ে গেছে।
