ঢাকা: বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে লজ্জাজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাত ধরে।
রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশকে তার শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করা এবং পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত জঙ্গী ইউনূস।
ড. ইউনুসের মুখোশ তো প্রথমেই খুলেছে।
যিনি বিদেশি চক্রের মদদে ক্ষমতার সিঁড়িতে উঠেছেন, যিনি সেনা-পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশের রাজনীতিকে চরম বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দিয়েছেন আজ তার সরকারের হাতে জাতির ইতিহাস অপবিত্র হচ্ছে, বঙ্গবন্ধুর নাম কলঙ্কিত হচ্ছে, শহীদদের আত্মা আহত হচ্ছে।
ড. ইউনুস ক্ষমতায় এসেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধুকে মানেন না, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বকে মানেন না, আর বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্বকে মর্যাদা দেন না।
এক জঙ্গীকে এখন জাতির পিতার আসনে বসাতে চায় এরা। ঘরে ঘরে হাদি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট।
শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম শহীদ ওসমান হাদি হল এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল করার সুপারিশ করা হয়েছে।
এ দুই হলের এই নাম পরিবর্তনের জন্য উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছিলেন ডাকসু নেতারা।
এরপর বৃহস্পতিবার সিন্ডিকেট সভায় ডাকসুর নেতাদের দাবি অনুযায়ী হল দুটির নাম পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে।
