ঢাকা: নিজের ফেসবুকে সমানে জঙ্গী উস্কানি দিয়ে চলেছেন সারজিস আলম।
এনসিপি নেতা সার্জিসের নেতৃত্বে সারা দেশজুড়ে ইন্ডিয়ান দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনা সাজানো হয়।
শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারতীয় হাই কমিশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তিনি।
সারজিস আলম তাঁর পোস্টে বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, শহীদ হাদি ভাইয়ের খুনিদের যতক্ষণ পর্যন্ত না ভারত ফিরিয়ে দিবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশন বন্ধ থাকবে।’
একে একে তাঁর আরো সন্ত্রাসী উস্কানি দেখুন:
* ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারীর ১২ তারিখের পূর্বে শহীদ ওসমান হাদীর খু*নিদের বিচার সম্পন্ন করে রায় কার্যকর করতে হবে।
Now or Never.
We are in a war !
*বিপ্লবকে সম্পূর্ণ করতে হবে।
যা ‘না করতে পারার’ আক্ষেপ ছিল
তা পূর্ণ করতে হবে।
*খোদা আমাদের দ্বিতীয়বার সুযোগ দিয়েছেন। জান দিয়ে হলেও বিপ্লবকে পরিপূর্ণ করতে হবে।
*২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারীর ১২ তারিখের পূর্বে শহীদ ওসমান হাদীর খু*নিদের বিচার সম্পন্ন করে রায় কার্যকর করতে হবে।
Now or Never.
We are in a war !
তা এই জঙ্গী কিসের যুদ্ধে থাকার কথা বললেন?
যে আগুন সন্ত্রাস সৃষ্টি করা হলো, জঙ্গী আন্দোলনের উস্কানিদাতা সারজিস আলমসহ আরো…!
তথাকথিত “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন” থেকে উঠে আসা কিছু নেতা—যারা পরবর্তীতে এনসিপি, ডাকসু, ইনকিলাব মঞ্চ কিংবা জামায়াত ঘেষা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে দৃশ্যমান হয়েছে—তাদের বক্তৃতা, স্লোগান ও বক্তব্যে একটি বিষয় বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠছে:
তারা রাজনীতির র, কূটনীতির ক, অর্থনীতির অ, এমনকি ন্যূনতম রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারের শ—কোনোটিই বোঝে না। এরা কেবল জঙ্গী বার্তা দেয়।
এই অজ্ঞতা শুধু ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা নয়; এটি রাষ্ট্রের জন্য সরাসরি ঝুঁকি।
যখন স্লোগান বাস্তবতাকে অস্বীকার করে-
“৭ সিস্টার্স স্বাধীন করো”,
“বাংলাদেশ থেকে টাকা যাওয়া বন্ধ হলে ভারত না খেয়ে মরবে”,
“৭ সিস্টার্সে জঙ্গি গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে”—
এই ধরনের বক্তব্য কোনো রাজনৈতিক মতামত নয়। এগুলো হলো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক উস্কানি।
এগুলো আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘনের ইঙ্গিত।
১৭ বছরে দলের কোন নেতাকর্মী প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা করেনি। গত রাতে এনসিপি, ইনকিলাব মঞ্চ এর নেতাকর্মী এবং উশৃংখল জনতা, মব গোষ্ঠী এই পত্রিকা দুটির ভবনে ভাংচুর লুট ও অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংস করে দিয়েছে।
উগ্র জঙ্গী মব পার্টি থেকে শেষ রক্ষা পেলো না পত্রিকা দুটি।
