ঢাকা: স্কুলের শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত হত্যার শিকার হচ্ছে! নির্বাচনের আগে হত্যা, মব, গোলাগুলি ক্রমাগত বাড়ছে। বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে নির্বাচন বানচালের জন্য।

ঢাকার দক্ষিণ বনশ্রীর বাড়িতে ফাতেমা আক্তার নামে এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

তবে প্রহসনের অপারেশন ডেভিল এক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারেনি সরকার। অপারেশন ডেভিল হান্ট কেবল আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য।

হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন একজন রেস্তোরাঁ কর্মী।

তিনি ফাতেমার বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক তিনি। জানা যায়, সন্দেহভাজন ওই রেস্তোরাঁ কর্মীকে খুঁজছে পুলিশ।

খিলগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। ধর্ষণের আলামত রয়েছে কি–না তা পরীক্ষা করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

তবে ঐ রেস্তোরাঁ কর্মী কেন পলাতক?

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়েটির বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করত, এমন একজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখছি। ঘটনার পর থেকে সে গা ঢাকা দিয়েছে।’

সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ওই বাসায় সন্দেহভাজন রেস্তোরাঁর কর্মীকে ঢুকতে দেখা গেছে। পুলিশের ভাষ্য মতে, বাসায় লুটপাট করার চেষ্টা করলে হয়তো মেয়েটি বাধা দেয়। তারপর তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *