ঢাকা: ইতিহাসের পাতায় অমর এক নাম—সাকিব আল হাসান! বিএনপি সরকার দেশে ক্ষমতায় আসার পর সাকিবের ফেরা নিয়ে আলোচনা চলছে।
দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন সাকিব আল হাসান।
কিন্তু আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় দেশের হয়ে খেলতে পারছেন না।
সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচনের পর বিসিবি চাচ্ছে সাকিব আল হাসানকে দেশে ফেরাতে। কিন্তু দেশ প্রেমের নাম করে কয়েকজন রাজাকার সাকিব আল হাসানকে দেশে আনার বিরোধিতা করছে।
যারা সাকিবকে দেশদ্রোহী বলে, তারা দেশের জন্য কি করেছে?
২০২৪ সালের অক্টোবরে সর্বশেষ বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছেন সাকিব।
খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিসিবি’র যৌথ উদ্যোগে চলছে তাঁর নামে থাকা মামলা নিষ্পত্তির কাজ।
বুধবার, ৪ মার্চ কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাকিবের ফেরা নিয়ে এই কথা বলেন বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর।
সাবেক টাইগার অধিনায়কের নামে থাকা মামলাগুলো নিয়ে কথা চলছে নীতিনির্ধারণী মহলে। যদিও, সাকিবের প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়া অনেকটা নাকি এগিয়েছে- জানান বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর।
‘সাকিব আল হাসানকে ঘিরে যে বিষয়টি রয়েছে, তা নিয়ে আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এখন মন্ত্রণালয়ের পর্যায়ে আছে এবং তারা এ নিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি বিসিবির লিগ্যাল টিমও সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, যাতে সাকিবের আইনগত জটিলতাগুলো দ্রুত সমাধান করা যায়।’
আসিফ আকবর বলেন, ‘মন্ত্রণালয় ও বিসিবি সমন্বিতভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করছে। আমরা খুবই আশাবাদী, অল্প সময়ের মধ্যেই সাকিব আল হাসানকে আবার বাংলাদেশের ক্রিকেটে দেখতে পাবো। দেশের কোটি ভক্তের মতো আমরাও তার প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় আছি।’
তারকা অলরাউন্ডারকে ফেরাতে পারলে সেটা দলের জন্য ভালো হবে বলে মনে করছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত বলেন, ‘সাকিব ভাই থাকলে দলের কম্বিনেশন ভালো হয়। যদি আসেন, খেলেন, অবশ্যই আমি বিশ্বাস করি কম্বিনেশন ভালো হবে এবং সেই প্রভাব রাখতে পারবেন দলের হয়ে। যদি আসেন খুবই ভালো। তবে যদি না আসেন, তাহলে আমাদের যে খেলোয়াড় আছে, তাদের ওপরই বিশ্বাস রাখতে হবে।’
