ঢাকা: সার্কাস চলছে বাংলাদেশে। সার্কাস করছে এনসিপি, জামাত শিবির ইউনূস জাহাঙ্গীররা।
হাদি হিরো হয়ে গেলেন এক রাতে। এক রাতে লক্ষ লক্ষ ফ্যান ফলোয়ার। সবাই হাদি হতে চায়।
বাংলাদেশের মানুষের ইমোশনকে পুঁজি করে ঠিক যেমন আবু সাঈদ, মুগ্ধ’কে হিরো বানানো হয়েছে, সেই তালিকায় নতুন নাম হলো হাদী।
কোনকিছু না করে শুধুমাত্র জঙ্গীপনা করেও হিরো হওয়া যায় তা হয়তো জাতি এই প্রথম দেখলো। চলছে সার্কাজম!
লাশের রাজনীতি চলমান বাংলাদেশে। টোকাইগুলো শেষপর্যন্ত ফুটেজের জন্য লাশ বহনকারী গাড়ির ছাদে উঠে গেছে। কতটা অমানুষ এবং বিবেক বহির্ভূত হলে এমন কাজ করতে পারে।
আবার এরা নাকি হাদি হতে চায়! হাসনাত আব্দুল্লাহর এই কর্মকাণ্ডে আশ্চর্য দেশ।
সংসদ ভবন সংলগ্ন এলাকা থেকে হাদির লাশবাহী গাড়ির ছাদে উঠে জনতাকে সামলানোর চেষ্টা করতে দেখা যায় জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরকে।
লাশের উপরে রাজনীতি।
এদিকে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যদি কথা বলতে পারতেন এখন তাহলে কবর থেকেই বলতেন তাঁর (নজরুল) জায়গাটাই সরিয়ে নেয়া হোক। হাদি বরং থাকুক সেখানে।
লজ্জাজনকভাবে কাজী নজরুল ইসলামের পাশে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শহীদ ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন হয়।
