ঢাকা: ধানমণ্ডি ৩২ ভেঙে, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙে, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলে অন্তর্বর্তী সরকার চাইছে ৭১ ভুলিয়ে দিতে! ৭১ কি শুধু সংখ্যা? যে চাইলেই ভুলিয়ে দেয়া যায়?
বাংলাদেশ এক অন্ধকারময় অধ্যায়ের মুখোমুখি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়া এই রাষ্ট্রে আজ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে বসেছে সেই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, যারা এক সময় রাজাকারের ভূমিকায় ছিল, জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে এবং গণতন্ত্রকে বারবার গলা টিপে হত্যা করেছে।
আজ যারা রাষ্ট্র চালাচ্ছে তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, বরং ষড়যন্ত্র, বিদেশি চক্রান্ত, এবং লোভী রাজনীতির এক কলঙ্কিত মিশ্রণে ক্ষমতা দখল করেছে।
এই অবৈধ, অগণতান্ত্রিক সরকারটির নেতৃত্বে রয়েছেন তথাকথিত “নোবেলজয়ী” ড. মুহাম্মদ ইউনুস, যিনি বাস্তবে স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের মুখপাত্রে পরিণত হয়েছেন।
এ সরকারের উদ্দেশ্য একটাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নিঃশেষ করা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মুছে ফেলা, এবং বাংলাদেশকে আবারো পাকিস্তানি ভাবধারার এক অনুগত উপনিবেশে পরিণত করা।
এবার দেখা গেলো, মাধ্যমিক স্তরের অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ বই থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের অগ্নিঝরা ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছে।
বাদ দিয়ে কী বোঝাতে চাইলো এই অন্তর্বর্তী সরকার তা কী বোঝার বাকি আছে?
২০২৫ সাল পর্যন্ত ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ হিসেবে এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম হিসেবে গদ্যাংশে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কিন্তু এবার সব শেষ! নতুন পাঠ্যবইয়ে সেটি একেবারে বাদ দেওয়া হয়েছে। বইটিতে ১২টি গদ্যের মধ্যে এবার ১১টি গদ্যের স্থান হয়েছে।
এর আগে বইটির ৩১ থেকে ৩৬ পৃষ্ঠাজুড়ে ৭ মার্চের অবদান তুলে ধরে পুরো বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটি নেই আর।
