ময়মনসিংহ: পুলিশ কুপিয়ে পালিয়ে যায়, পুলিশের গাড়ি থেকে হাতকড়াসহ আসামি পালায়, সন্ত্রাসীর হাতে র্যাব খুন হয়- একের পর এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেই চলেছে। অথচ উপদেষ্টারা বলেই চলেছে একনাগাড়ে যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো। দেশে কোনো জঙ্গী নেই।

অথচ ৫ আগস্টের পর সারাদেশে আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়েছে জঙ্গী। মহাজন নিশ্চিন্তে জুলাই জাদুঘর প্রদক্ষিণ করছেন।

এবার ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পুলিশি তল্লাশি চলাকালে এক পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এই অভিযোগ উঠেছে লিয়ন (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে পৌর এলাকার পাগলপাড়া বাজার এলাকায়।

এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।

জানা গেলো, অভিযুক্ত লিয়ন হালুয়াঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. রুহুল আমিনের ছেলে।

রুহুল আমিন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ ১ (হালুয়াঘাট ধোবউড়া) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, হালুয়াঘাট পৌর এলাকায় ডিউটিরত অফিসার ও ফোর্স (রোমিও-১১) নিয়মিত মোটরসাইকেল চেকিং করছিল। লিয়নকে থামিয়ে তল্লাশি করতে চাইলে তিনি কর্তব্যরত কনস্টেবল ইজাউল হক ভূঁইয়াকে (এজাজ) লক্ষ্য করে ধারালো দা দিয়ে পেছন থেকে কোপান।

ঘটনায় আহত কনস্টেবল ইজাউল হককে তাৎক্ষণিকভাবে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ রাতেই রুহুল আমিন খানকে (৫৫) আটক করে। এদিকে আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পৌর শহর থেকে লিয়ন খানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *