বরিশাল: বিজয়ের মাসে ‘পাকিস্তান গুপ্তচর’ বিহারি ফুয়াদের বিরুদ্ধে তার নিজ গ্রামবাসীর ঝাড়ু মিছিল এবং এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনীতির উত্তপ্ত অঙ্গনে এমন এক চরিত্রের আবির্ভাব হয়েছে যার নাম উচ্চারণমাত্রই জনতার চোখে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। তিনি ব্যারিস্টার পরিচয়ে পরিচিত আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
তবে তাঁকে নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ জনগণের।
তিনি আদৌ ব্যারিস্টার কি না, লন্ডনে তাঁর আইন ডিগ্রির সত্যতা কতটা গ্রহণযোগ্য—এসব নিয়ে প্রশ্ন বহুদিনের।
জনক্ষোভের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটেছে বরিশাল-৩ আসনে (মুলাদী–বাবুগঞ্জ), যেখানে স্থানীয়রা তাকে প্রকাশ্যে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে।
ঝাড়ু হাতে মিছিল চলছে ফুয়াদের বিরুদ্ধে। বরিশালের বাবুগঞ্জে স্থানীয় জনগণের ওপর ‘চাঁদাবাজ’ মন্তব্যের প্রতিবাদে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মিছিলটি বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে লোহালিয়া গ্রাম থেকে শুরু হয়ে মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
ঝাড়ু হাতে বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ ফুয়াদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।
উল্লেখযোগ্য যে, মুলাদী–বাবুগঞ্জ নিয়ে গঠিত বরিশাল-৩ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
প্রসঙ্গত, গত ৭ ডিসেম্বর মীরগঞ্জ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ফুয়াদ গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, সেতুর ঠিকাদারের কাছে স্থানীয়রা চাঁদা দাবি করেছে।
এমন মন্তব্যের কারণে উপস্থিত বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ জানায়।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ফুয়াদ তার সমর্থকদের নিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান গণমাধ্যমে বলেছেন, “মীরগঞ্জ এলাকায় এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণ একটি মিছিল করেছে। এটা আমরা জেনেছি।”
