ঢাকা: আঠারো মাস কারাগারে এবং সতেরো বছর বিদেশে কাটানোর পর সশরীরে আবার বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠে তারেক রহমান।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে গত দেড় বছর ধরে তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে অনেক ধরনের আলোচনা হয়েছে।
তবে রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে পাল্টাবে এখন, এমনটাই আশাবাদী দেশবাসী।
যাইহোক, দেশের চরম অব্যবস্থা যখন চলছে, সে সময় এলেন তারেক রহমান।
অবশেষে দেশে এলেন তিনি এবং এমন একটা সময়ে ফিরলেন যখন নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে ব্যস্ততা চলছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। তাঁর রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তাই বহন করে।
ফখরুল সাহেব বলেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে দেশের মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
মানুষ এখন নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে এবং এই স্বপ্নের মূল কেন্দ্রে রয়েছেন তারেক রহমান।
শুক্রবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে তিনি এই কথাগুলো বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে জনগণ সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছে তারেক রহমানকে। তিনি পরিবর্তন নিয়ে আসলেন।তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
আরো বলেন, ‘তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়, বরং এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। ’
