নোয়াখালী: মাদ্রাসা হচ্ছে ধর্মের জায়গা। তবে এখান থেকেই কেন হাজার রকম অপকর্মের খবর আসে? মাদ্রাসা হয় বোমা তৈরির কারখানা, মাদ্রাসায় ছাত্রদের ধর্ষণের খবর তো হামেশা আছেই।
মাদ্রাসা শিক্ষকরা যদি এইভাবে সমাজ নষ্ট করেন, ধর্মের নামে অধর্ম করেন তাহলে তো সমাজে কিছু থাকে না।
এবার নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় একটি মাদরাসার প্রধান শিক্ষক ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এবং এমন ঘৃণ্য ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ওই মাদরাসায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের উত্তর চর হাসান গ্রামের সৈয়দ মুন্সি বাড়ি মাদরাসায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, মাদরাসায় পড়াশোনার সময় প্রধান শিক্ষক ও ছাত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এবং গত ৭ জানুয়ারি অভিযুক্ত শিক্ষক ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মাহমুদুল হাসান (৩৫), তিনি পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা।
ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। এবং ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রী মাদরাসার সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে সে নোয়াখালী সদর উপজেলার নুরু পাটোয়ারীহাট মাদরাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।
ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষকের পালানোর ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সুধারাম মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
