ঢাকা: হঠাৎ করে গ্যাসের সংকট, সিলিন্ডার গ্যাসের অস্বাভাবিক দাম—সবই কি কাকতালীয়?
খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, ডিস্ট্রিবিউটররা চাহিদার এক তৃতীয়াংশ গ্যাসও সরবরাহ করতে পারছেন না। ফলে বেশি দামে কিনে বাধ্য হয়ে বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধের দাবিও জানাচ্ছেন তারা।
সারা দেশে চলছে তীব্র এলপিজি গ্যাসের সংকট! ১২০০ টাকার সিলিন্ডার এখন বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায়।
অনেকের বাড়িতে চুলায় আগুন জ্বলছে না, অনেক রেস্টুরেন্টে লাকড়ি দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। এই রকম একটা মৌলিক চাহিদার বিষয়ে এই রকম অবহেলার কারণ কি? এর দায় অন্তবর্তী সরকার কিভাবে এড়াবে?
লাগামহীন এলপিজির দাম আজ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও প্রান্তিক মানুষের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যে সিলিন্ডার এক সময় ১২০০ টাকায় পাওয়া যেত, আজ ২৫০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যায় না। বাজারে গ্যাস নেই, আর থাকলেও তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
রান্না করা এখন প্রয়োজন নয় বিলাসিতায় পরিণত হয়েছে। এ বাস্তবতা শুধু বাজারের ব্যর্থতা নয়, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার চরম ব্যর্থতার প্রতিফলন।
গ্যাসের সংকটে সবচেয়ে বেশি ভুগছে গরিব মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। হোটেল-দোকান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গ্যাসের অভাবে।
তাছাড়া ছোট দোকানগুলো এত টাকা সিলিন্ডার নিলেও পরতা পড়বে কীভাবে?
যে মানুষটা প্রতিদিনের বাজার করতেই হিমশিম খায়, সে মানুষ কীভাবে এই অস্বাভাবিক দামে গ্যাস কিনে রান্না করবে?
ব্যস, না খেয়ে থাকো।
শান্তিতে নোবেল জয়ী ক্ষমতা দখলকারী ইউনুসের কারিশমা এমনই যে সাধারণ মানুষের জীবনে শান্তি চলে গেছে।
