ঢাকা: উগ্রমৌলবাদীদের অত্যাচারে হিন্দুদের জীবন বিপন্ন। এই দেশ আর হিন্দুদের থাকার মতো নয়। সেই পরিবেশ অনেক আগেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

গভীর রাতে মন্দিরে প্রবেশ করে একাধিক প্রতিমা ভাঙচুর, বিগ্রহের গায়ে জুতা ঝুলিয়ে চরম অবমাননা, হিন্দু গাছে ঝুলিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়া-ঘটনার শেষ নেই।

অবৈধ জামাতি ইউনুস ও তার ছত্রচ্ছায়ায় থাকা মৌলবাদী শক্তি সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ভীতি ও সহিংসতা উস্কে দিচ্ছে। মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন—সবই একটি বৃহত্তর মৌলবাদী এজেন্ডার অংশ।

নির্বাচন সামনে রেখে নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বাড়ছে, যা মানবাধিকার রক্ষায় দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা প্রকাশ করছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচে (এইচআরডব্লিউ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক সংগঠনটির ওয়েবসাইটে ১৪ জানুয়ারি এটি প্রকাশিত হয়। লিখেছেন এইচআরডব্লিউর নারী অধিকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ক শুভিজৎ সাহা।

প্রতিবেদনে পুলিশের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে।

ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর কার্যকলাপ ও বক্তৃতা–বিবৃতি বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেমকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, এই গোষ্ঠীগুলো নারীদের স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও সমাজে তাদের অংশগ্রহণ সীমিত করতে চাইছে।

নারীরা ও মেয়েরা মৌখিক, শারীরিক, ডিজিটাল পরিসরে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছেন।

হিন্দুদের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে আগে দুজন নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এবং ২০২৪ সালে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে ছিল অনেক নারীর অংশগ্রহণ। তারপরও বাংলাদেশে নারীরা এখনো রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অধিকার থেকে ব্যাপকভাবে বঞ্চিত।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *