ঢাকা: দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়ছে এটি যে উপদেষ্টা স্বীকার করলেন তিনি চাকুরি হারাবেন না তো? সহ্য করবে এই কথা অন্য উপদেষ্টারা?
ধর্ষকের প্রকাশ্যে শাস্তি চাই! এই স্লোগান তো উঠছেই। কিন্তু কয়টা ধর্ষকের শাস্তি হয়েছে? ইউনূসের কালে তো অত্যাচারের মাত্রা আরো বেড়েছে।
প্রতিটি ধর্ষণের দ্রুত বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, দাবি উঠছে। কিন্তু কোথায় বিচার? বিচারহীনতা ধর্ষকদের সাহস জোগায়।
উপদেষ্টা শারমীন কী বলেছেন, চলুন দেখে নিই একবার:
দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা কমেনি, বরং বেড়েই চলেছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।
আজ, সোমবার (২৪ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উদযাপন উপলক্ষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এই কথা বলেন তিনি।
শারমীন এস মুরশিদ বলেন, রাজনৈতিক শাসকরা তাদের নানা রাজনৈতিক স্বার্থে মেয়েদের ওপর জুলুম করে। যেমন- জমি যদি দখল করতে হয়, নারী ও শিশুকে নির্যাতন করো, সেই পরিবারগুলো সরে যাবে।
যদি নির্বাচনকে পক্ষে আনতে হয়, একটা কমিউনিটি বা নারীদের সহিংসতার মধ্যে ফেলে দাও। ওই গোষ্ঠী সেই জায়গা থেকে সরে যাবে।
রাজনৈতিক বদ উদ্দেশ্যে যারা ঘটনাগুলো, ঘটায় তাদের লাভ হয়
তিনি বলেন, একটি আলোকিত সমাজে নারী ও শিশুদের প্রতি যে সম্মানটুকু থাকে, সেটি যখন ভাঙতে শুরু করে, সেই সমাজ কিন্তু সার্বিকভাবে ভাঙতে শুরু।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, একটি দেশকে বিচার করা উচিত সে দেশ তার নারী ও শিশুকে কীভাবে রাখে এবং দেখে তার ওপর বিবেচনা করে। অসভ্য সমাজে নারী-শিশু নির্যাতন ঘটতে দেয়া হয়।
