ঢাকা: বাউলদের বাঁচার কোনো অধিকার নেই এই দেশে। তাঁদের সব অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশের সন্ত্রাসীরা শান্তিপ্রিয় বাউল-শিল্পীদের নির্যাতন করছে। পুলিশের সামনেই। পুলিশও হয়তো বিশ্বাস করে ইসলামে গান বাজনা হারাম, তাই বাউল-শিল্পীদের বাঁচার কোনও অধিকার নেই।
আর এই ইসলামী সন্ত্রাস থেকে বাউলদের বাঁচাতে হয়তো সে-কারণেই পুলিশ কোনও উদ্যোগ নেয়নি।
বাউল সংগীত সাধক আবুল সরকারকে ইসলামের নামে কিছুদিন আগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, সরকারের লালন উৎসবটি নিতান্তই লোক দেখানো ছিল। তা নাহলে এরকম হবে কেন?
এদিকে, নির্লজ্জের মতো গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান কারাবন্দি বাউল শিল্পী আবুল সরকারের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বাউল আবুল সরকারের মুক্তি নয়, কঠোর শাস্তি চাই। এই বাউলের বক্তব্য একটু আগে শুনলাম। সে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে এই ধরনের কটূক্তি করেছে।
আপনি শিল্পী, আপনার শিল্পচর্চায় কেউ বাধা দিবে না। কিন্তু আপনি আল্লাহ ও ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করতে পারেন না। এমনকি হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুধর্মাবলম্বীদের নিয়েও কটূক্তি করার অধিকার কারো নাই।
সবাই স্বাধীনভাবে এই দেশে ধর্মপালনের অধিকার পাবে, কিন্তু ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অধিকার কারো নাই।’
তিনি আরও লেখেন, ‘বাউল আবুল সরকারের মুক্তি চাচ্ছেন, তারা আগে বাউল আবুল সরকারের বক্তব্য শুনুন। সে সমগ্র মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করেছে।’
রাশেদ খান লেখেন, ‘বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তার যথাযোগ্য শাস্তি হলে পরবর্তীতে কেউ আর এমন কটুক্তি করবেনা। আমরা সমাজে শান্তি চাই। ধর্ম নিয়ে বিতর্ক এবং বিভাজন চাইনা।’
