ঢাকা: মনে আছে নিশ্চয়ই এসআই সন্তোষকে হত্যার ঘটনা?
৫ আগস্টের ঘটনা।
তাঁকে জঙ্গী গোষ্ঠী ছিনিয়ে নিয়ে সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা করে।
হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানার এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে পুড়িয়ে মারার স্বীকারোক্তি দেওয়ার পরও পরিচিত খুনিদের আইনের আওতায় না এনে অবৈধ দখলদার ইউনুস সরকার নিজেদের অবৈধতারই প্রমাণ দিলেন। এভাবেই সত্য প্রকাশিত হয়।
এসআই সন্তোষের হত্যাকারীর জবানবন্দি শুনলেন দেশবাসী। হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) সন্তোষকে হত্যার ঘটনার দায় স্বীকার করে চাঞ্চল্যকর বক্তব্য দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক স্থানীয় সমন্বয়ক।
কেন মারা গেলেন সন্তোষ! ৫০ জন এর উপরে পুলিশ সদস্যকে সেনাবাহিনী রক্ষা করলেও কেন বলির পাঁঠা বানানো হয়েছিল সন্তোষকে?
কেন সেনা উপস্হিতিতে জঙ্গিরা সেদিন সম্তোষকে মেরে গাছে ঝুলিয়ে রাখার সাহস করেছিল!
সন্তোষের অপরাধ কি সন্তোষ হিন্দু ছিলেন! সন্তোষের অপরাধ কি মাদক এর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি?
আজ যখন সন্তোষের খুনি থানায় বসে ওসির সামনে সম্তোষ খুনের জবানবন্দি দিচ্ছে,তারপরও কেন তাকে গ্রেফতার করা হলোনা?
পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সামনেই তিনি বলেছেন, “এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরাই জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় কয়েকজন যুবক একটি কক্ষে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলছেন।
সেখানে উত্তেজিত ভঙ্গিতে এক তরুণ নিজেকে হবিগঞ্জ জেলার সাবেক প্রধান সমন্বয়ক ও বর্তমান সেক্রেটারি দাবি করে ৫ আগস্টের সহিংসতার লোমহর্ষক বর্ণনা দেন।
পুলিশ কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে ওই তরুণ বলেন, “বানিয়াচংয়ে আমরা থানাকে কিন্তু পুড়িয়ে দিয়েছিলাম। এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম। আপনি আসছেন? ঠিক আছে।”
নিজের পরিচয় দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমি হবিগঞ্জ জেলার প্রধান সমন্বয়ক ছিলাম। আমি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জের বর্তমান সেক্রেটারি। আমরা বানিয়াচংয়ে থানাকে পুড়িয়েছিলাম আমাদের প্রতিবাদে। আমাদের ভাই ৯ জনকে হত্যা করা হয়েছিল। এই হবিগঞ্জের ছেলে আমরা এখানে দাঁড়ায়ে আছি।”
তার এই বক্তব্যের সময় পাশে থাকা অন্য যুবকদের নীরব থাকতে দেখা যায় এবং পুলিশ কর্মকর্তারাও তার কথা শুনছিলেন। কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। সবাই ভয়ে।
