ঢাকা: দেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তথা যিনি কথায় কথায় আড়ম্বরপূর্ণ কথা বলেন, তিনি বলেছেন, ফোনে আড়ি পাতবে সরকার অনুমোদিত সংস্থা।
এই নিয়ে দেশে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই কী কাণ্ড!
ইউনূসের কাছে বন্দি হয়েছে বাংলাদেশ। ফোনে কথা বললেই এবার থেকে রেকর্ড করা হবে।
অন্তর্বর্তী সরকার চাইলে যে কারও ফোনে আড়ি পাততে পারবে। কি কথা হচ্ছে, কি মেসেজ যাচ্ছে, কার কাছে যাচ্ছে, সবটাই জানতে পারবে সরকার।
সাধারণ মানুষের যে কোনও ব্যক্তিগত কথা, তথ্য মুহূর্তে সরকারের বিশেষ সংস্থার কাছে চলে যেতে পারে। তার ফলে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়তে পারে।
সরকারের অনুমোদিত সংস্থা ফোনে আড়ি পাতবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তবে অনুমোদনহীন কোনও সংস্থা আড়ি পাতবে না বলে জানান তিনি।
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভাশেষে সাংবাদিকদের একটি প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান এই কথা।
তিনি জানান, সরকারের যে সমস্ত সংস্থা অথরাইজড, তারাই ফোনে আড়ি পাতবে। যাদের অনুমোদন দেওয়া হবে না, তারা আড়ি পাততে পারবে না।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রীতিমতো স্বীকার করলেন যে হ্যাঁ, এই সরকার মানুষের ফোনে আড়ি পাতে। এবং তাদের মতে এটা একদম বৈধ, কারণ নাকি তাদের ‘অনুমোদন’ আছে।
এখন স্বাভাবিক প্রশ্ন হলো, কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন?
আর সেই অবৈধ উপায়ে ক্ষমতায় আসা সরকারের একজন উপদেষ্টা এখন বলছেন তারা জনগণের ফোনে আড়ি পাতার অধিকার রাখেন। কোন অধিকারে?
মূলত, সংবিধান তো তাদের এই ক্ষমতা দেয়নি। জনগণের ভোট তো তারা পাননি। তাহলে এই অনুমোদন কোথা থেকে এলো?
