ঢাকা: পকেটমার, ছিনতাইকারীদের যন্ত্রণায় কতো পরিবারের ঈদের খুশিটাই নষ্ট হয়ে যায়। ইদানীং এতো বেশি ছিনতাই বাড়ছে। সরকার প্রশাসনের কোনো কঠোর হস্তক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রামসহ আরো বহু জায়গায় দিন দিন বাড়ছে চুরি–ছিনতাই, আর সাধারণ মানুষের মনে জমছে অজানা আতঙ্ক।
নিজের শহরের রাস্তায় হাঁটতেও যদি নিরাপত্তাহীন লাগে, তাহলে কষ্টটা ভাষায় বোঝানো যায় না। উন্নয়ন শুধু ইট–পাথরে নয়, মানুষের নিশ্চিন্ত ঘুমেও থাকতে হয়।
জনগণের দাবী, ‘আমরা ভয় নয়, স্বস্তি চাই। নিরাপদ শহর চাই—যেখানে সন্ধ্যা নামলেও বুক কাঁপবে না’।
এবার রাজধানীতে উত্তরায় ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে মারা গিয়েছেন মুক্তা আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ।
মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে সাড়ে ৯টা নাগাদ ।
মুক্তার গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার সোনাপাড়া গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল জলিল।
মুক্তার স্বামী লিমন হোসেন বলেন, তারা দক্ষিণখান ফায়দাবাদ এলাকায় ভাড়া থাকেন। তিনি নিজে পোশাক কারখানার একজন কর্মী ।
সকালে তার স্ত্রী ঈদের কেনাকাটা করতে ব্যাটারিচালিত রিকশা করে মিরপুর পল্লবীর একটি মার্কেটে যাচ্ছিলেন। রিকশার আরেক যাত্রীর মাধ্যমে জানতে পারেন- তাদের রিকশা উত্তরা দক্ষিণ মেট্রো স্টেশনের নিচে যায়।
এ সময় একটি প্রাইভেট কার থেকে হাত বাড়িয়ে তার স্ত্রীর হাতে থাকা ব্যাগ ধরে তীব্র এক টান মারে। আর জোরে টান দেয়ার ফলে মুক্তা রিকশা থেকে রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হন।
তিনি আরও বলেন, পথচারী ও রিকশার অপর যাত্রী তার স্ত্রীকে প্রথমে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে টঙ্গী আহসানউল্লাহ মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখান থেকে আবার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পঙ্গু হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এত হাসপাতাল বদলি? একটা হাসপাতালেও চিকিৎসা নেই। এই দেশে না আছে চিকিৎসা, না আছে শিক্ষা। দেশটা মনে হয় ৫ আগস্টের পর লঙ্গরখানায় পরিণত হয়েছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তুরাগ থানা পুলিশ তদন্ত করছে।
