ঢাকা: ২৪ এর জঙ্গী আন্দোলনের সময় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুনরায় তদন্ত শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেড় বছর ধরে তদন্ত কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিলো।

আন্দোলনের সময় কয়েকটি কারাগারেও হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। দেয়াল ও ফটক ভেঙে বন্দি ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে; অনেকেই এখনও পলাতক।

তাদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চালানো হবে এবং প্রয়োজনে ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, আন্দোলনের আগে ও পরে থানা, ফাঁড়ি ও ট্রাফিক কার্যালয়সহ ২১৬টি স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর হয়।

এর মধ্যে ১৩টি থানা পুরোপুরি পুড়ে যায়। ঢাকা মহানগর এলাকায় ৫০টি থানার মধ্যে ২১টিতে হামলার ঘটনা ঘটে। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় হামলায় ১৩ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন।

পুলিশ হত্যার বিচার হবে শুনে সাবেক উপদেষ্টা, সমন্বয়কদের পিলে চমকে যাচ্ছে কেন? তাহলে কী তারা জড়িত? নাকি রিমান্ডের ভয়?

পুলিশ হত্যার তদন্ত হলে মাস্টারমাইন্ডরা চিন্তিত হবে এটাই স্বাভাবিক। ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত ও বিচার বাংলাদেশে হতে হবে- এই দাবি জনগণের।

এরকম হত্যাকান্ড এবং থানায় হামলার ঘটনা ছাড় দেওয়া মানে দেশের বাহিনীগুলোকে পঙ্গু করে দেওয়া।

নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এটি মীমাংসিত বিষয়। কিন্তু পুলিশ হত্যা কোনোভাবেই মীমাংসার বিষয় নয়; এটি আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত।

জুলাই–আগস্টে নিহত সকল পুলিশ সদস্যের হত্যার সুষ্ঠু বিচার তাদের ন্যায্য অধিকার।

আত্মস্বীকৃত খুনি সহ সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করতে পারলে আইনের সাথে অন্যায় হবে।

ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ
সাধারণ সম্পাদক, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) কী বলেছেন দেখবো:

“এইমাত্র ১৫-২০ জন বা ৪১ জন পুলিশ সদস্য মারা গেছে এইরকম একটা খবর বলেছে। এটা আসলে কয়েকশো মারা গেছে। এবং খুবই নির্মমভাবে মারা গেছে। পুলিশের লোকজন আমাদের বলেছে, জবাই করেছে পুলিশ সদস্যদের।

রাস্তায় ফেলে আন্দোলনকারীরা পুলিশ সদস্যদের জবাই করেছে। যাত্রাবাড়িতে একটা লাশ ঝুলিয়ে রাখতে দেখেছেন, এইরকম ডজন ডজন লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে।

আমরা শুধু সিরাজগঞ্জ থানায় ১৩-১৪ জনকে পুড়িয়ে মারার কথা জানি। আরো অসংখ্য পুলিশ সদস্যকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। পুলিশ হত্যার খবর গণমাধ্যমে আসেনি, কিন্তু পুলিশ সদস্যরা জানে।”

এইরকম অনেক কথা বেরিয়ে আসবে এখন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *