ঢাকা: অবিলম্বে এই ফ্যাসিস্ট-অবৈধ ইউনূস গংয়ের পতন চাইছে বাংলার মানুষ। শীঘ্রই জনগণের বাধ ভেঙে গেলে পালানোর পথ খুঁজে পাবে না এই অত্যাচারীর দল, আমরা বলছি না- বলছে জনগণ।
ইউনূসকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না বাংলাদেশের মানুষ। জনগণ বুঝে গেছে ইউনূস স্বার্থলোভী জঙ্গীবাদি শাসক।
এই ফ্যাসিস্ট দেশে এসেছে শুধু লুটপাট ও দুর্নীতি করে নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করবার জন্যে।
এই যে হাদির ঘটনা ঘটানো হলো ইচ্ছাকৃতভাবে, নিজে ক্ষমতায় বসে থাকার জন্য , তারপর দেশে আগুন ধরানো হচ্ছে – এই সবই তো ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে হচ্ছে। যেমন হয়েছিলো ৫ আগস্টের ঘটনা।
ইউনূস আসার পর থেকে দেশের সার্বিক অধঃপতন দেখেছে জনগণ। শুধু তাই নয় ফ্যাসিস্ট ইউনূস ও তার জঙ্গী বাহিনী মিলে অবাধে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গীবাদ কায়েমের উদ্দেশ্যে আইনের শাসনকেই বিলুপ্ত করেছে।
সাধারণ মানুষ বিচার পাচ্ছে না, পুলিশ মামলা নিচ্ছে না।
আরেকটা ৫ ই অগাস্টের পরিবেশ তৈরি করতেই যে হাদিকে উড়িয়ে দিতে হয়েছে জামাতের, এই হিসেব বুঝার জন্য রকেট সায়েন্টিস্ট হবার দরকার পড়েনা।
হাদির ঘটনায় কুমিরের কান্নায় যেন ভেঙে পড়েছে জঙ্গীরা। এই সুযোগে পুড়িয়ে দেয়া হলো এক হিন্দু যুবককেও।

বাংলাদেশের স্বনামধন্য ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এতো ধ্বংসলীলার মাঝেও এটি অক্ষত ছিল। আজ কি দেশে পাক হানাদারদের চেয়েও বর্বর বাহিনীর আবির্ভাব হয়েছে?
ওসমান হাদির মৃত্যুর সাথে ছায়ানটের বা কি সম্পর্ক! কেন সংবাদমাধ্যম, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের দিকে নজর তথাকথিত জুলাইযোদ্ধাদের!!
এসব মবসন্ত্রাসের জন্যই হাদিকে বলি দেওয়া হয়েছে! ইউনূস কোথায়? তাঁর কি সময় এখনো শেষ হয়নি?
