একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের অনুসারিদের সমানাধিকার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে ধর্মনিরপেক্ষ রাখা হয়েছিল। এজন্য সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছিল।
কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগষ্টে আমেরিকা-পাকিস্তানসহ ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করে একটি ইসলামী রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।
সেই যে রাষ্ট্রের ‘মুসলমানি’ বা ‘খতনা’ করা হয়েছিল সেই থেকে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি ইসলামী রাষ্ট্রেই পরিণত হয়েছে।
পঁচাত্তরের পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতাকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছেন। সেখানে সংযুক্ত করেছেন ‘ বিছমিল্লাহির রাহমানির রহিম’।
আর জিয়াউর রহমান সামরিক ক্যু এর মাধ্যমে নিহত হওয়ার পর আরেক সামরিক আইন প্রশাসক জেনারেল এরশাদ ১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রকে মুসলমানি করিয়ে দিলেন।
রাষ্ট্রকে ইসলামী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করলেন। রাষ্ট্রের ধর্ম করা হলো ইসলামকে। কিন্তু রাষ্ট্র কি ধর্ম পালন করে কখনো? রাষ্ট্র কি নামাজ পড়ে? সেই রাষ্ট্র কি রোজা রাখে? রাষ্ট্র কি হজ করে? হিসেব প্রশ্নের কোন উত্তর নেই কারো কাছে। কেউ এসব নিয়ে প্রশ্নও করতে পারেনা এখনকার চরম ইসলামী বাংলাদেশে।
এরশাদের শাসনামলে অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে যখন রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা করা হলো তখন নানা মধুর মধুর কথা শোনানো হয়েছিল জাতিকে।
তখন বলা হয়েছিল- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন। কিন্তু বাংলাদেশের নাগরিকরা কি দেখলেন?
সেই রাষ্ট্রধর্ম প্রণয়ন করার ফলে দেশে অন্য ধর্মপালনকারি নাগরিকদের শুধু দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকই নয় অনেক ক্ষেত্রে নাগরিক হিসেবেই গণ্য করা হতোনা।
নানা সময়ে আমরা দেখেছি শত্রুসম্পত্তির নামে হিন্দুদেরকে কিভাবে সম্পত্তি থেকেই শুধু বঞ্চিত করা হয়নি, তাদেরকে নাগরিকত্ব থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে। অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে তার।

অথচ পাকিস্তানী বিহারী নাগরিকরা বাংলাদেশে বহাল তবিয়তেই শুধু বসবাস করছেনা, তারা আস্ফালন করেছে সেই বঙ্গবন্ধু হত্যার পর থেকেই।
তবে গত চব্বিশের আগষ্টে জঙ্গী-সামরিক ক্যু এর পর তা চরম আকার ধারণ করে। পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল তুরষ্কের চরম ইসলামপন্থী এরদোগান সরকারের ষড়যন্ত্র।
তুরষ্ক বাংলাদেশে সামরিক সরঞ্জাম তৈরীর কারখানা তৈরীর জন্য নানা পরিকল্পনা করেছিল ইউনুস সরকারের আমলে। কিছু কিছু চুক্তিও হয়েছে। সেসব চুক্তি আদৌ বাতিল হয়নি।
মূলত ইউনুস সরকারের সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যেসব দেশবিরোধী চুক্তি করেছিল ইউনুস তার সব কিছুই রয়ে গেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি কথিত ইলেকশনের নামে যে সিলেকশনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলো তাদের সে ক্ষমতা হয়নি। আর তারা তা বাতিল করবে বলেও মনে হয়না।
কারণ তা করলে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের আর ক্ষমতায় থাকা সম্ভব হবেনা। কারণ আমেরিকা তার স্বার্থবিরোধী কিছু হলে তা সহ্য করবেনা। তা সে যেই হোকনা কেন । সেক্ষেত্রে বিএনপি- জামায়াত-এনসিপি কোনকিছুই সে আর দেখবেনা।

যেভাবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের পতন ঘটিয়েছিল তেমন করে ক্ষমতাচ্যুত করতে একবিন্দু দেরি করবেনা। তখন আবার নতুন বিষয় বা ধুঁয়া তোলা হবে সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে।
গত ২০২৪ এর ৫ আগষ্ট সামরিক-জঙ্গী ক্যু এর পর থেকে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
এটি যে সেই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে একটি অসাম্প্রদায়িক –ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ রাষ্ট্র ছিল তাকেই বিনষ্ট করে দেয়া হয়েছে।
যে প্রতিবেশি বন্ধুরাষ্ট্র ভারত একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে অকাতরে সহায়তা করেছিল দেশটি স্বাধীন হতে সেই ভারতকেই চরম শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করলো। দেশটি চললো পুরো উল্টোপথে।
চব্বিশের কথিত গণ অভ্যুত্থানে রাজপথে ভারতের বিরুদ্ধে এমনকি হিন্দুদের বিরুদ্ধে চরমভাবে বিষোদ্গার করেছে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াতে ইসলামীসহ চরম ইসলামপন্থী দলগুলো।
সেই কথিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজনৈতিক দল মানে জামায়াতের বাই প্রোডাক্ট হিসেবে পরিচিত এনসিপি’র গজায়মান বেয়াদপ নেতাদের ৬ জন এখন জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছে। এরা তখন রাজপথ প্রকম্পিত করেছিল দিল্লী না ঢাকা শ্লোগান তুলে।

কিন্তু যতই ভারত বিরোধিতা করুকনা কেন সেই ইউনুসীয় ইন্টেরিম সরকার ও তার বশংবদরা ভারত থেকে চাল-ডালসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিন্তু আমদানী করেছে। আমদানী করতে বাধ্য হয়েছে কারণ অন্য দেশ থেকে তা আনতে গেলে অনেক ব্যয় বেড়ে যেত।
অথচ তখনকার সরকার প্রধান হিসেবে চেয়ারে বসে ড. ইউনুস নিজেই ভারতের বিরুদ্ধে চরম বিষোদ্গার করেছে। পাশাপাশি তার বশংবদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এনসিপিসহ জামায়াতে ইসলামী ও কথিত ‘ ইনকিলাব মঞ্চ’কে লেলিয়ে দিয়েছিলেন ভারত বিরোধিতা করার জন্য।
এই ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক চরম বেয়াদপ হাদী প্রকাশ্যে অশ্রাব্য ভাষায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ জাতীয় নেতা-নেত্রীদের গালিগালাজ করেছে।
অবাক করার বিষয় হলো—এদেশের মা-বাবারা এসব গালিকে আপন করে নিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের সন্তানেরা যে একটি অসভ্য জাতিতে পরিণত হচ্ছে তা আর ভাবেননি।
কারণ এসব মা-বাবার কাছে তখন ইসলাম যেন মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসে ইউনুস ও তার দলবল তখন পাকিস্তানের সঙ্গে চরমভাবে দহরম মহরম গড়ে তুলেছিল।
এমনকি পাকিস্তান থেকে আসা পণ্যবাহী জাহাজের কন্টেইনারে কি পণ্য আনা হয়েছে তা কোন ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই বাংলাদেশে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে খালাস করা হয়েছে।
এজন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে অফিস আদেশও জারি হয়েছিল। তা বাতিল হয়েছে কিনা তা অবশ্য জানতে পারিনি। তখন পাকিস্তান ধেকে কন্টেইনারবাহী জাহাজে পণ্য আমদানি বেড়ে গিয়েছিল।

পাকিস্তান থেকে তখন বিভিন্ন জাহাজে করে অস্ত্র-গোলবারুদ আমদানি করে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, হিযবুত তাহরীর, কওমী মাদ্রাসার জঙ্গীদের কাছে বিতরণ করা হয়েছে বলে বিভিন্ন বিদেশি সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছিল।
আর ইউনুস সরকারের সে সময়কার ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বপালনরত আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াতো তার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কয়েক হাজার জঙ্গীকে সামরিক প্রশিক্ষণই দিয়েছে।
এসব জঙ্গীরা নিশ্চয়ই দেশ থেকে বের হয়ে যায়নি। অনেকেই বলছেন, সরকারিভাবে এসব জঙ্গী প্রশিক্ষণের যে সংখ্যা দেখানো হয়েছে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি জঙ্গীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
শুধু এভাবে নয়। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইসহ সিনিয়র সামরিক অফিসাররাও বাংলাদেশের ক্যান্টমেন্টসহ ভারতীয় সীমান্তের স্পর্শকাতর বাংলাদেশি এলাকার ঘন ঘন ঘুরে গেছেন।
তাদের এই আনাগোনা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে। অবিশ্বাসকে আরো বেশি ঘনীভূত করেছে।
তখন থেকে বাংলাদেশ সত্যিকারভাবে আর সেই একাত্তরে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া বাংলাদেশ রইলোনা।
একটি চরম ইসলামপন্থী পাকিস্তানী ভাবধারার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ।
মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের সেই কালজয়ী রণহুংকার- জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধুলোয় মিশিয়ে দেয়া হলো। ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরের যে ঐতিহাসিক বাড়িটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার সেই বাড়িটিকে বার বার ভাংচুর ও আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হলো। এই বাড়িটিতো শুধু বঙ্গবন্ধুর বাসস্থান ছিলনা।

এটিতো বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে বাঙ্গালী জাতির কাছে একটি বেদনাবিধুর স্মৃতির যাদুঘরে পরিণত হয়েছিল। আর সেই বাড়িটিকে ধ্বংস করতে শুধু ইসলামপন্থী দলগুলোর ক্যাডাররা করেনি। এসবের সঙ্গে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠন যুবদল-ছাত্রদলের ক্যাডাররাও জড়িত ছিল ওতপ্রোতভাবে।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ও বিএনপি সম্পর্কে অনেকেই বলছেন–বিএনপির এই লোকটি খুব অমায়িক, ভদ্র রাজনীতিবিদ। কিন্তু একটি কথা স্পষ্ট বলতে চাই- তাকে যারা চেনেননি তারা এখনো বোকার রাজ্যে বাস করছেন।

অনেকেই নির্বাচনের আগে বলেছিল, বিএনপি নির্বাচনে জিতলে নাকি দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত থাকবে, বিএনপি নাকি আওয়ামিলীগের শত্রু নয়,রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী!
নির্বাচনে জিতলে নাকি বিএনপি গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে! সকল লীগ কর্মী সমর্থকদের জামিন দেয়া হবে!
এইসব প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কত জায়গায় আওয়ামীলীগ সমর্থকরা( হিন্দুসহ) বিএনপি প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জিতিয়েছে! এখন তারা দেখছে, বিএনপি কী চিজ !
আজকে চখা রাজাকারের পুত্র ফখরুল স্পষ্ট বলে দিয়েছে- আওয়ামিলীগের রাজনীতির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলা হবে না!
এই চখা রাজাকারের পুত্র ফখরুল কিন্তু সুদখোর ইউনূসের আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ঠাকুরগাঁওয়ের অবিসংবাদিত আওয়ামীলীগ নেতা এমপি মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনকে অসুস্থ অবস্থায় জেলে পাঠিয়েছিল।
জেলে তাঁকে চিকিৎসা দেয়া হয়নি। বিনা চিকিৎসায় তাঁকে হ ত্যা করে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজের আসন প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন করেছে।
সেই চখা রাজাকারের পুত্র আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা ও মন্ত্রী রমেশ সেনকে জেলে পাঠিয়েছে, কখনও রমেশ সেনের পরিবারের খোঁজ নেয়নি।
এদিকে রমেশ সেনের মৃত্যুর পর চখা রাজাকারের ছেলে ফখরুল পুলিশ পাহারায় রমেশ সেনের মৃতদেহ দেখতে গিয়েছিল, রমেশ সেনের স্ত্রী তাঁর স্বামীর হত্যাকারীর এতটুকু অসম্মান হতে দেননি।
তখন অনেকেই এই ফখরুলকে রুখে দেয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু আওয়ামীলীগ কর্মী সমর্থকরা শত্রু মিত্র চিনলে তো হয়েই যেতো! ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ কোন আশায় চখা রাজাকারের পুতেরে ভোট দিয়ে জিতিয়েছিল, কে জানে!
এটি শুধু বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বেলায় নয়, এটি মূলত বিএনপির সব নেতার বেলাতেই প্রযোজ্য। কারন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও চরম পাকিপ্রেমী ছিলেন।
তার স্ত্রী বেগম জিয়াও তাই ছিলেন। এমনকি বেগম জিয়া পাকিস্তানী সেনা অফিসার জেনারেল জানজুয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় নিয়ম কানুন না মেনে প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থাতেই শোকবানী পঠিয়েছিলেন।
তো তাদের পুত্র জনাব তারেক রহমানও কি পাকপ্রীতির বাইরে যেতে পারবেন ? কারণ তারাতো পাকপছন্দ লোকই শুধু নন, এরা আবার ইসলাম পছন্দ লোক।
আর বাংলাদেশের ইসলাম মানে হলো পাকি ইসলাম। সেই ইসলামই যেন পুতপবিত্র এদেশের মানুষের কাছে।
কিন্তু বাংলাদেশ যদি এই পাকপ্রেম ছাড়তে না পারে তাহলে বাংলাদেশের জনগণের কপাল থেকে দুঃখ আর ঘুচবেনা কোনদিন।সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে জিয়াউর রহমান-এরশাদ-খালেদা জিয়া ও ড. ইউনুসের পথেই হাঁটছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
# ইশরাত জাহান: লেখিকা, প্রাবন্ধিক ও নারী অধিকার সংগঠক।
