মার্কিন ডিপষ্টেট ও ড.ইউনুসের মেটিকুলাস ডিজাইনে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারিরা ইলেকশনের নামে একটি ‘সিলেকশন’ গেলাতে চাইছে সব কিছু উপেক্ষা করে।

১২ ফেব্রুয়ারি যেনতেনভাবে জাতির সাথে একটি প্রহসন করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে শান্তির নোবেল লরিয়েট ইউনুস সাহেব।

দেশের বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠিতব্য এই কথিত নির্বাচন দেশে ও বহির্বিশ্বে গ্রহণযোগ্য হবে কি হবেনা সেটাও ভাবছেনা সুদী ইউনুস সরকার ও তার বশংবদ পারিষদ।

তবে এরই মধ্যে তার আশেপাশে যেসব হোমরা-চোমরা ও বেনিফিসিয়ারি মহামান্যরা ছিলেন তাদের অনেকেই উল্টো সুরে কথা বলা শুরু করেছেন। ফলে নির্বাচনী খেলার ফাউল যে অনেক হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।

এর মধ্যে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে অবৈধ-অসাংবিধানিক এই জোচ্চোর ইউনুস সরকারের পাতানো নির্বাচনে ৬৪টি জেলায় দায়িত্বরত ডিসিদের মধ্যে জামায়াতের অনুসারী ৩২জন, এনসিপির অনুসারী ২০জন, অর্থাৎ জামায়াত-এনসিপি জোটের প্রতি অনুগত ৫২জন। আর বিএনপির মাত্র ১২জন।

এদিকে ভোট গণনা হবে নাকি উপজেলায় কর্মরত ইউএনও অথবা জেলা সদরে ডিসি অফিসে। এই অভিযোগ যদি সত্য হয় তাহলে কি ঘটতে যাচ্ছে সেটাই দেখার বিষয়।

দেশের অধিকাংশ ভোটার ও নাগরিকই মনে করছেন, ভোট আর কি হবে ? ফলাফল সরকারের বশংবদ নির্বাচন কমিশন যা ঘোষণা করবে সেটাই ভোট।

এটি আগে তৈরী করা একটি ফলাফল জাতির সামনে ঘোষণা করা হবে মাত্র ১২ ফেব্রুয়ারি ইলেকশন নামক খেলাটির পরে। এর মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে ইলেকশন নিয়ে কথা বলেছি। তাদের অনেকেরই তেমন কোন আগ্রহ দেখলাম না।

তাদের অনেকেই বলছেন এভাবে- দুত্তরি ভোট! বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ আর ইতিহাস ঐতিহ্যকে অস্বীকার করে কিসের ভোট ? যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকেই বিশ্বাস করেনা, মুক্তিযুদ্ধকে পুরোপুরি অস্বীকার করে, মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করে তারা করবে ভোট। আর সেই ভোটে এদেশের অধিকাংশ মানুষই অংশ নেবেনা।

এরই মধ্যে কমনওয়েলথের প্রতিনিধি, ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আরো কয়েকটি সংস্থা বলেই দিয়েছে তারা ইনক্লুসিভ ইলেকশন চান। আর তা বলতে তারা বুঝিয়েছেন দেশের সবচেয়ে বড় দল আওয়ামীলীগ ছাড়া এ ইলেকশন গ্রহণযোগ্য হবেনা।

আওয়ামীলীগের নেতা- কর্মী-সমর্থকওতো এই দেশের ভোটার। কিন্তু তারা কি ভোট দিতে যাবেন ? জানতে চেয়েছিলাম সে বিষয়ে আওয়ামীলীগের কয়েকজন নেতার কাছে।

তারা বলছেন- আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত হচ্ছে- ‘নো বোট, নো ভোট’। মানে নৌকা ছাড়া কোন ভোট নয়। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে কেমন ইলেকশন করানো হচ্ছে ঠুঁটো জগন্নাথ ইলেকশন কমিশনকে দিয়ে।

সে যাই হোকনা কেন ইলেকশন কমিশন ঘোষিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট দেখতে ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক আসার তথ্য দিয়েছে ইলেকশন কমিশন।

৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার কমিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোন দেশ থেকে পর্যবেক্ষক হিসেবে কারা আসতে পারেন, সে তথ্য জানানো হয়েছে; যাদের মধ্যে বিবিসি, রয়টার্স, এপি ও আল জাজিরাসহ বিভিন্ন বিদেশি সংবাদমাধ্যমের ১৫০ জন রয়েছেন।

তবে এবার সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক আসবে একাত্তরে হারিয়ে যাওয়া বড় ভাই পাকিস্তান থেকে। কারণ এই পাকিস্তানই এখন বাংলাদেশ চালাচ্ছে অনেকটা। তাদের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর সদস্যরা সেনানিবাসসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন স্পর্শকাতর জায়গায় অবস্থান নিয়ে নানা নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে।

সুতরাং সেই পাকিস্তান থেকে সবচেয়ে বেশি সাংবাদিক আসছে বলে জানিয়েছে ইলেকশন কমিশন। সাংবাদিকদের মধ্যে ৪৮ জন আসবেন পাকিস্তানের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান থেকে এবং আল জাজিরা থেকে ভোটের খবর সংগ্রহে আসবেন ৭ জন। তবে ভারত থেকে কতজন আসবেন সে তথ্য বলা হয়নি ইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

বিতর্কিত অথর্ব নির্বাচন কমিশন কখন যে কি করে আর বলে তার কোন ঠিক নেই। এখন এক কথা বলেতো খানিক পরে কেউ ধমক দিলেই তা পাল্টে ফেলে। নানা সমালোচনা ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের আপত্তির পর ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারের আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানান নির্বাচনের দিন ভোটার, প্রার্থী এবং এজেন্ট ও সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে পারবেন। তারা ছবিও তুলতে পারবেন, তবে কোনোভাবেই গোপন কক্ষের ভেতরে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা বা ছবি তোলা যাবে না”।

অথচ এর আগে গত রোববার কমিশন অফিস আদেশ জারি করে বলেছিল-ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল আনা যাবেনা। এনিয়ে নানা সমালোচনা ও রাজনৈতিক দলগুলোর তীব্র আপত্তির মুখে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়।

এর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী তাদের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বক্তব্য দেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেছেন- “প্রতিটি নাগরিকের হারানো রাজনৈতিক ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের জন্য আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি বড় সুযোগ। দেশের নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে”।

কিন্তু তার এই বক্তব্য শুনে অনেকেই বলছেন- আওয়ামীলীগের রাজনীতি করার অধিকার কেড়ে নেয়ার পর এ ধরনের বাগাড়ম্বর করার কোন মানে হয়না। আওয়ামীলীগ করা বা সেই দলকে সমর্থন করা নাগরিকদের কি হারানো রাজনৈতিক ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করার কোন ব্যবস্থা নিয়েছে বিএনপি?

 

এদিকে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী, খুন, ধর্ষকের দল জামায়াতে ইসলামীর প্রধান নেতা মানে আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানও বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে

1. ##তীব্র আপত্তির মুখে মোবাইল ফোন নিয়ে পূর্বের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন

ইসির নানা সমালোচনা ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের আপত্তির পর ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারের আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানান নির্বাচনের দিন ভোটার, প্রার্থী এবং এজেন্ট ও সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে পারবেন।

এর আগে রোববার রাতে নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে একটি নির্দেশনা জারি করেছিল।

পরে এ নিয়ে নানা সমালোচনা তৈরি বিকেলে মোবাইল ফোন নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বৈঠক করে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতারা।

এদিন একই বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে ইসির সাথে বৈঠক করে ডাকসুর একটি প্রতিনিধি দল।

2. ৪৯ মিনিট আগে ফ্যামিলি কার্ডে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা কিংবা সমমূল্যের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে: তারেক রহমান বিএনপি চেয়ারম্যান

তারেক রহমান বলেছেন বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে দেশের প্রতিটি পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করবে বিএনপি।

তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা ও নিম্ন আয়ের সুরক্ষা দিতে ফ্যামিলি কার্ডে প্রতিমাসে আড়াই হাজার টাকা কিংবা সমমূল্যের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার বাংলাদেশ টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে এই কথা জানান বিএনপি প্রধান।। তিনি বলেন, “দেশের অর্ধেকের বেশি জনশক্তি নারী শক্তিকে রাষ্ট্র, রাজনীতি, অর্থনীতির মূল ধারার বাইরের রেখে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। দেশে মোট চার কোটি পরিবার রয়েছে।

এবার প্রথমবারের মতো দেশের প্রতিটি পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে”।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে শিক্ষিত তরুণ তরুণীদের ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ একবছর কিংবা কংসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ আর্থিক ভাতা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে”।

“আমরা মনে করি এই বেকার ভাতা একজন শিক্ষিত বেকারকে সে উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে সক্ষমতা অর্জনেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে”, যোগ করেন তিনি।

3. এক ঘন্টা আগে দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী: জামায়াত আমির

জায়ামাতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন। দেশে শান্তি ফিরে আসুক। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই”।

কেউ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আঘাতে চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করার ঘোষণাও দেন জামায়াত আমির।

কিন্তু এই জামায়াতে ইসলামীর মত স্বাধীনতাবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী দলের কারণেই বাংলাদেশের রাজনীতি বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ও বিপক্ষের বিভাজনতো এই দলটির কারণেই সৃষ্টি হয়েছে। আর সেই দলের নেতা ডা. শফিক বলে কিনা তারা বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।

কতবড় মোনাফেক-প্রতারক হলে এমন কথা বলতে পারে ইসলামের নামে রাজনীতি করা এই জামায়াতে ইসলামী।

দেশের ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন বলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) গবেষণায় উঠে এসেছে।

গত রবিবার ( ৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা’ শীর্ষক গবেষণা ফল প্রকাশ করা হয়।

তাতে তারা দেখিয়েছেন- দেশের ৮৮ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন হলেও প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ নিজেকে চরম অনিরাপদ মনে করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সংবিধানে সমতা ও বৈষম্যহীনতার অঙ্গীকার থাকা সত্ত্বেও বহু জনগোষ্ঠীর জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ এখনো ভয়, বর্জন এবং সীমিত রাজনৈতিক সুযোগের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়।

ধর্মীয় সংখ্যালঘু, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সমতলের আদিবাসী, নারী এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এবং বিচারপ্রাপ্তির সুযোগও সীমিত।

সিজিএস চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান বলেন, দেশে সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনের সময় তারা গভীর নিরাপত্তাহীনতা, কাঠামোগত বর্জন এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের সংকটে ভোগেন। রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যালঘুদের ‘ভোটব্যাংক’ হিসেবে ব্যবহার করে। কিন্তু নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বা মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত নগণ্য।

এই সাংবাদিক জিল্লুর রহমান একটি চরম সুবিধেবাদী লোক হওয়া সত্ত্বেও তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত গবেষণায় তিনি এসব বলতে বাধ্য হয়েছেন।

অবশ্য কোন উদ্দেশ্যে তিনি এমনটি বলছেন এখন তা বোধগম্য নয়। কারণ এই ব্যক্তি ২০২৪ এর জুলাই-আগষ্টে সেই ‘লাল বিপ্লবী’ ছিলেন। এখন হয়তো আবার ভোল পাল্টানো শুরু করেছেন।

কয়েকদিন আগে আমরা বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা এসএসআই এর একটি গোপনীয় অফিস আদেশ দেখেছিলাম। তাতে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটের ক্যান্ডিডেটকে জেতানোর জন্য যা যা করা দরকার ও ফলাফল ঘোষণার ক্ষেত্রে তাই যেন করা হয় সে নির্দেশনাও ছিল।

তো সবকিছু মিলিয়ে বোঝাই যায় ইউনুসীয় ইলেকশনের নামে কিসের বা কাদের সিলেকশন এর সব নীলনকশা করা হচ্ছে।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক জিয়া কয়েকদিন আগেই জেনসভায় বলেছেন তারা কোন কোয়ালিশন সরকার গঠন করবেন না।

কিন্তু সোমবার চট্টগ্রামে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ও চট্টগ্রামে বন্দরপতেঙ্গা এলাকার শক্তিশালী ক্যান্ডিডেট আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন- প্রয়োজন হলে জামায়াতের সাথে কোয়ালিশন করতেও রাজী আছেন তারা। তার মানে কি দাড়াচ্ছে ?

বিএনপি কি বুঝে গেছে যে, তাদের পক্ষে এককভাবে জেতা সম্ভব নয় সরকার গঠনের জন্য? বা তাদেরকে এককভাবে সরকার গঠনের জন্য সেই পরিমাণ সিট দেয়া হবেনা ?

# নুরুল ইসলাম আনসারি: লেখক, প্রাবন্ধিক।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *