হিন্দু পিটাইতে, মারতে, খুন করতে, তাদের জায়গা জমি দখল করতে বেশ ভালোই লাগে। তাদের ঘরের সুন্দরী মেয়ে, বউ তারাতো গণিমতের মাল।

তাদের জোর করে যখন খুশী তুলে এনে ধর্ষণ করা যায়। শুধু কি তাই? হিন্দুদের যে কারো বিরুদ্ধে যখন খুশি তখন ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তুলে তাদের ঘরবাড়িতে হামলা, আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া, এমন কি জ্যান্ত মানুষকে পিটিয়ে মেরে অথবা ঘরের মধ্যে আটকে রেখে জ্যান্ত পুড়িয়ে রোষ্ট বানালেও কেউ কিচ্ছুটি বলবে না আপনাকে। অন্তত এ বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে পারেন।

এ বঙ্গীয় দেশে কোন মুসলিমের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোন টু শব্দটি করা যাবেনা। করলেই ধর্মীয় অবমাননার ট্যাগ লাগিয়ে শায়েস্তা করার যত রকমের পন্থা আছে সবই প্রয়োগ করা হবে। পুলিশ বা অন্য কোন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী আপনার কেশাগ্রটিও ছুঁয়ে দেখবেনা। এ গ্যারান্টি শতভাগ।

শান্তির দূত (!) নোবেল লরিয়েট ড. ইউনুসের জঙ্গী-সেনা শাসনে আর যাই হোক এসব বিষয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে। খোদ প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যেসব হামলা বা হত্যাকান্ড হয়েছে সেগুলো সাম্প্রদায়িক ঘটনা নয়। এগুলো আগের কোন শত্রুতা বা সাধারণ যেসব অপরাধ ঘটে থাকে দেশে সে ঘটনারই অংশ, ইত্যাদি ইত্যাদি।

তার মানে দাঁড়ালো হিন্দুদের জমি-সম্পত্তি দখল, তাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ, তাদেরকে কোন কারণ ছাড়াই চাকরি থেকে বহিষ্কার, বাড়িতে বাইরে থেকে দরজায় তালা দিয়ে আগুন দেয়া কোনটাই কোন সাম্প্রদায়িক ঘটনা নয়।

আপনি হিন্দু হলে এসব আপনাকে সহ্য করতে হবে। মেনে নিতে হবে। কোন প্রতিবাদতো দূরের কথা থানা-পুলিশকে জানানো চলবেনা। চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি (!) তাই না? কি বলুন আপনারা?

শত শত বছর ধরে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথধামে হিন্দুদের শিবমন্দিরসহ অন্যান্য মন্দিরগুলোর স্থাপনার পাহাড়ে উঠে সেখানে ‘নারায়ে তকবীর’ আল্লাহু আকবর শ্লোগানে প্রকম্পিত করা যাবে।

আবার সেখানে মসজিদ বানানোর ঘোষণাও দেয়া হবে। এর কোন কিছুটিই সাম্প্রদায়িক নয়। এর সব কিছুই যেন স্বাভাবিক। কারণ দেশটি তো একটি ইসলামিক দেশ। কারণ যার রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সেখানে অন্য কোন ধর্ম নিয়ে কথা বলাটাইতো ধৃষ্টতা। তাই নয় কি?

এই এতসব কিছুর পরেও কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দুদের কোন লাজ-লজ্জা আছে বলে ঠিক মনে হচ্ছেনা। কারণ এরাই আবার গলাগলি করে সেই ধর্মাবলম্বী লোকদের সাথে, যারা তার ভাইকে খুন করেছে, তার বোন বা স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে। তাদেরকে তাদের ঘর-জমি থেকে মানে বাস্তুভিটা থেকেই বিতাড়িত করেছে।

কিন্তু সে অত্যাচারিরাই তাদের কাছে আপনজন। কি সুন্দর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, চিন্তা করুন তো! এ যে সেই শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর মত আচরণ ! ‘মেরেছো কলসীর কানা তাই বলে কি প্রেম দেবোনা’ – টাইপের আরকি!

এই যে ধরুন গিয়ে বেহেশতের টিকেট দেয়া দল জামায়াতে ইসলামী তাদের দল থেকে সেখানে আগামী ইলেকশনে খুলনায় কৃষ্ণ নন্দীকে দিয়ে ইলেকশন খেলা খেলবে। কি চমৎকার প্ল্যান ভাবতে পেয়েছেন? আর তা মোহাম্মদ শ্রীমান কৃষ্ণ নন্দী যদি জিতেই যান জামায়াতে ইসলামী থেকে তাহলে তিনি কি আল কোরআনের শাসন চালু করার জন্য সংসদে জোরালো ভূমিকা রাখবেন?

কারণ জামায়াতে ইসলামী তো আল্লাহর আইন কায়েম করতে চায়, আর কোরআনের শাসন কায়েম করতে চায়। তো মোহাম্মদ কৃষ্ণ নন্দীকে কি এর মধ্যে ‘মুসলমানি মানে খতনা’ করানো হয়েছে? তা যদি না হয় তাহলে এই যে একজন বিধর্মী আল্লাহর আইন চাইবেন, আল কোরআনের শাসন চালু করবেন সেটা একটু কেমন কেমন ঠেকছেনা?

কারণ তাকে তো কোরআনের আইন চালু করতে হলে সেই পবিত্র কিতাবটি ছুঁতে হবে। তো একজন নাপাক মানুষ, একজন হিন্দু মানুষ কেমনে পবিত্র কিতাব ছোঁয়ার আস্পর্ধা দেখাবে সেটাই ভাবছি।

জামায়াতে ইসলামীর নেতারা মানে তাদের আলেমরা কি বলেন এক্ষেত্রে সেটা জানার খুব আগ্রহ রইলো।

একজন নাপাক মানুষ, একজন একজন বিধর্মী মানুষ কোন অধিকারে পবিত্র কিতাব আর-কোরআন ছুঁয়ে দেবেন? এতে কি ইসলাম ধর্ম অবমাননা হবেনা? নাকি সব কিছুই যায়েজ (আইনসিদ্ধ) হয়ে যাবে যদি জামায়াতে ইসলামী করে তাহলে?

সংখ্যালঘু নিধন চলছে চলবে, পারলে ঠেকাও!

যে বিষয় দিয়ে শুরু করেছিলাম সেখানেই ফিরে যাই। এদেশে হিন্দু মানে সংখ্যালঘু নিধন,নির্যাতন , নিপীড়ন চলবেই। পারলে কেউ ঠেকাও! চ্যালেঞ্জ দিলাম এ ব্যপারে। কারে সাহস থাকেতো এসব বন্ধ করুন।

এসব হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতন , নিপীড়ন কেউ বন্ধ করতে পারবেননা। তা সে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারি আওয়ামীলীগ হোক আর মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দানকারি দাবিদার জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি হোক।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এটি একটি চমৎকার মিল।

আওয়ামীলীগ-বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী- সম্প্রতি গজায়মান রাজনৈতিক দল এনসিপি বা অন্য দলগুলোর মধ্যে যত রেষারেষি বা নিজেদের মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি থাকুক না কেন তারা কিন্তু এই একটি বিষয়ে চরম ঐক্য গড়ে তুলেছেন। সে ঐক্যটি কি জানেন?

তাহলো হিন্দুদের সম্পত্তি দখল, হিন্দুদের খুন, নারী ধর্ষণ-নির্যাতন , নিপীড়ন, দেশত্যাগে বাধ্য করা—এসব “নেক” কাজে কেউ কখনো দ্বিমত করবেনা। কারণ এসব বোধ হয় এসব রাজনৈতিক দলের জন্য অত্যন্ত ফরজ কাজ হয়ে গেছে।

এসবতো বটেই, এর পাশাপাশি এসব অপরাধের (যদি কেউ অপরাধ মনে করেন আর কি !) কোন বিচার কোন সরকারই করবেনা- এ বিষয়ে সবাই একমত। তাহলে কে বলেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোন ঐক্য নেই?

কোন সহনশীলতা নেই? আর যাই হোক হিন্দু নির্যাতনের ক্ষেত্রে চরম ঐক্য, চরম সহনশীলতা!

এবার নরসিংদীতে হিন্দু অসহায় গ্যারেজ শ্রমিক চঞ্চল ভৌমিক কে আগুনে পুড়িয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। মাত্র ২২ বছর বয়সে সংসারে হাল ধরেছিল পরিবারের। বড় ভাই প্রতিবন্ধী। কি এমন শত্রু ছিল? কি এমন অপরাধ ছিল?

তার যে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারতে হলো? কোন রাজনৈতিক দল এ নিয়ে কোন টুঁ শব্দটি করেনি এখনো।

যেকথাটি বলতে ইচ্ছা করে না সেটি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক প্রশ্নটি। এইরকম ঘটনার খবর শোনার পর চট করে মনে পড়ে দিপু দাশের কথা এবং এইরকম আরও বেশ কিছু ঘটনার কথা।

এইটিও কি আরেকটি সাম্প্রদায়িকতার ঘটনা নয়? চঞ্চল ভৌমিকও কি তবে কেবল ওর ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে প্রাণ হারালো না? আমাকে কেউ মেহেরবানী করে নিশ্চিত করতে পারবেন যে- এই ঘটনাটি কোন সাম্প্রদায়িক ঘটনা নয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাই বিক্ষুব্ধ রিক্তা বেপারি তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এভাবে–এখন মিডিয়াগুলো চুপ কেন? আমরা কি সত্যিই বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি?

এদেশে এখন এমন একটা বিষয় লক্ষ্য করতেছি যেখানে বাকস্বাধীনতা মানে আওয়ামী লীগের নিন্দা, সমালোচনা করা। আর অন্য দলগুলোর সমালোচনা করলে গলাকাটা যাওয়া।

একটা গণতান্ত্রিক দেশে এটা কোনভাবোই কাম্য নয়।বৈষম্যহীন তো তখনই সম্ভব যখন সব রাজনৈতিক দলের মতামত ও কার্যক্রম আইনের দৃষ্টিতে সমান দেখা হবে, অপরাধ করলে শাস্তির ক্ষেত্রে হিন্দু মুসলমান,বড়লোক গরীব কোনো ভেদাভেদ করা হবে না।

অমিত হাসান বলেছেন-একজন হিন্দু কে পুড়িয়ে মারা হয়েছে বলে কি মুসলিম সমাজ চুপ? হিন্দু কি আমাদের ভাই না? আমরা আবার এই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। হিন্দু হত্যায় মুসলিম চুপ থাকে বলেই মুসলিম হত্যায় হিন্দু চুপ থাকে। পাশের দেশে মুসলিম পুড়িয়ে মারা হয়, এটা আমাদের অযুহাত হতে পারে না।

কারণ আমরা চাইলেও প্রতিবেশি দেশে হস্তক্ষেপ করতে পারবো না। কিন্তু নিজের দেশের অন্যায় আমাদেরই প্রতিরোধ করতে হবে।

এ বছরই গত ৭ জানুয়ারি শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে ও পুড়িয়ে খুন করা হয়। এই খুনের ঘটনার পর পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা ছিনতাই করতে গিয়ে হত্যা করার দাবি করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তবে খোকন চন্দ্রের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, ‘‘শুধু ছিনতাইয়ের জন্য এই হত্যাকাণ্ড সেটা আমাদের বিশ্বাস হচ্ছে না। ছিনতাই হলে তো শুধু কুপিয়ে চলে যেতো, শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরালো কেন? আমরা মনে করছি, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।’’

গত ৫ জানুয়ারি যশোরের মনিরামপুরে রানা প্রতাপ বৈরাগী নামে এক ব্যবসায়ীকে মাথায় সাত রাউন্ড গুলি করে হত্যা করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর রানা প্রতাপের বাবা তুষার কান্তি বৈরাগী সাংবাদিকদের বলেছেন , ‘‘আমার ছেলের কোনো শত্রু নেই। সে পারলে মানুষের উপকার করে, কোনো ক্ষতি করে না। আমি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, আমার স্ত্রী প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

আমার ছেলেকে হত্যার কোনো কারণ আমি খুঁজে পাচ্ছি না। ঘটনার পরদিন পুলিশ যোগাযোগ করেছিল, এখন আর কেউ যোগাযোগও করে না।’’

একই তারিখ ৫ জানুয়ারি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের সুলতানপুরে দোকান বন্ধ করে ফেরার পথে বাড়ির ফটকে ব্যবসায়ী শরৎ চক্রবর্তী ওরফে মণিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মণি চক্রবর্তীর স্ত্রী মুক্তা রানী সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আমার স্বামীর সঙ্গে কারও বিরোধ ছিল না। কেন তাকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে, সেটা আমরা বুঝতে পারছি না। আমরা ন্যায়বিচার চাই।’’

এছাড়া ৯ জানুয়ারি সুনামগঞ্জে জয় মহাপাত্র নামে এক যুবককে একটি দোকানে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে তার মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়৷ পরিবারের দাবি, স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে বিবাদের জেরে তাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়।

৬ জানুয়ারি নওগাঁ জেলায় মিঠুন সরকার (২৫) নামে এক যুবককে চোর সন্দেহে ধাওয়া করে একদল মানুষ। প্রাণ বাঁচাতে জলাশয়ে ঝাঁপ দিলে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয় তার।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকায় সহকর্মীর গুলিতে ব্রজেন্দ্র দাস নামে এক আনসার সদস্য নিহত হন৷ এ ঘটনায় ঘাতক আনসার সদস্য নোমান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দায়িত্বরত আনসার সদস্য এপিসি মো. আজাহার আলী সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘‘ঘটনার সময় আনসার সদস্য নোমান মিয়া ও ব্রজেন্দ্র দাস আমার রুমে একসঙ্গে বসে ছিলেন৷ হঠাৎ ব্রজেন্দ্র দাসের উরুতে বন্দুক (শটগান) ঠেকিয়ে ‘গুলি করে দেই’ বলেই গুলি করে দেয়।

এরপর নোমান পালিয়ে যায়। কিন্তু এর আগে আমি তাদের মধ্যে কোনো বাকবিতণ্ডা বা তর্ক-বিতর্ক হতে দেখিনি।’

গত ২৫ ডিসেম্বর রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় চাঁদাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট (২৯) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে ময়মনসিংহের ভালুকার জামিরদিয়া এলাকায় ‘পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কোম্পানির’ শ্রমিক ২৮ বছর বয়সি দীপুকে দাসকে পিটিয়ে হত্যা করার পর লাশ গাছের ডালের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

এটি সেই সমাজ যেখানে দীপু দাসের হত্যাকান্ডকে কুমিল্লা এলাকা থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর মাদ্রাসার হাফেজ মনির হোসেন তাওহীদ Hafez Monir Hossain Towhid বলেছেন- ‘এইটা মুসলিমবঙ্গ এইখানে আল্লাহর আইন চলবে।’

প্রকাশ্যে যখন এসব বলা হয় তখন রাষ্ট্রযন্ত্র-সরকার-রাজনৈতিক দল-সুশীল সমাজ থাকে নীরব। এ থেকে বুঝে নিতে হবে এদেশে হিন্দুদের ভাগ্য। এভাবেই চলছে এই বাংলাদেশ।

# ইশরাত জাহান: লেখিকা, প্রাবন্ধিক ও নারী নেত্রী।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *