ইসলামী জঙ্গী-সেনা সমর্থিত অবৈধ ইউনুস সরকার এতই বেসামাল আর বেদিশা হয়ে উঠেছে যে কখন কোথায় কি করবে আর বলবে তার খেই হারিয়ে ফেলেছে।

নিজেদের ওপরই আর বিশ্বাস নেই তাদের। ইউনুসের ডান হাতই হয়তো তার বাম হাতকে বিশ্বাস করতে পারছেনা। তার সব আলামত তো দেখাই যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ইউনুস ও তার সহযোগী বশংবদদের কর্মকান্ড ও আচার আচরণ পাগলের মত হয়ে উঠছে।

তবে জামায়াতের বিশ্বস্ত সেনাপ্রধান ওয়াকার ও তার জঙ্গী-সেনাগং যে এর পেছনে রয়েছে তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা নেই।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আর মাত্র দিন-ক্ষণের ব্যাপার। এরই মধ্যে সরকার একটার পর একটা দেশবিরোধী চুক্তি করে চলেছে।

চীনের সঙ্গে সামরিক চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনে ৫১ টি দেশের প্রতিনিধিদের সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে নতুন ১২১ মিলিয়ন ডলারের চুক্তির পরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ বিষয়ে নিজেরা জড়িত না হয়ে ভারতকে ‘দেখতে’ বলেছে।

গত বছর মানে ২০২৫ এর নভেম্বর মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া টার্মিনাল লিজ দেওয়া হয় ডেনমার্কের ‘এপিএম টার্মিনালস’কে।

পানগাঁও দেওয়া হয় সুইজারল্যান্ডের ম্যাডলক এসএ’কে। এর পর নিউমুরিং টার্মিনাল লিজ দেওয়া হচ্ছে দুবাইভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ।

এর জন্য কোনো আন্তর্জাতিক টেন্ডার, যাচাই-বাছাই-মতামত কিচ্ছু করা হয়নি। এ যেন ইউনুস গংদের পৈতৃক সম্পত্তি। এটি যখন যাকে খুশী তাকে লীজ দেয়া যাবে, বিক্রিও করে দেয়া যাবে।

কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে একগুঁয়েমির কারণে অচলাবস্থা বন্দরে। আমদানী-রপ্তানি বাণিজ্য-অর্থনীতি ধ্বংসের শেষপ্রান্তে।

এ অবস্থায় ইউনুস তার নিজের সরকারের ওপরই বিশ্বাস করতে পারছেনা। এজন্য ইসলামী জঙ্গী সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চে’র মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার ( তাদের ভাষায়) নিশ্চিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের কার্যালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

রবিবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়েছে। এতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেনিভায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) কাছে একটি আনুষ্ঠানিক ‘নোট ভারবাল’ পাঠিয়েছে।

তাহলে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নামক একটি অথর্ব-অকর্মণ্য প্রতিষ্ঠান রাখারই কি প্রয়োজন পড়েছে? সামান্য একটি বিষয়ে যদি জাতিসংঘকে ডাকতে হয়! ইনকিলাব মঞ্চ দাবি করেছে আর সেজন্য জাতিসংঘকে ডাকতে হবে? নিজেরা স্যারেন্ডার করলো অবলীলায়?

জাতিসংঘের অধীনে ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত দাবি করে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার সরকারি ঘর যমুনার সামনে অবস্থান নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে এই চরম বেয়াদব শরীফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ১৮ ডিসেম্বর মারা যায়। অশ্রাব্য ভাষায় ওস্তাদ হাদিকে আরেক অবৈধ-জঙ্গী ইউনুস সরকার একেবারে মাথায় তুলে রাখলো।

এরই মধ্যে গত শনিবার রাতে বাংলাদেশ টাইমস-নামে একটি সংবাদ মাধ্যমের কার্যালয়ে সেনা সদস্যদের ‘অভিযান ও এর সংবাদকর্মীদের তুলে নেওয়া এবং অফিসে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনা’ আলোচনা সমালোচনার ঝড় তুলেছে।

সশস্ত্র অবস্থায় সেনা সদস্যদের একটি দল একটি সংবাদ সংস্থার কার্যালয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের এভাবে তুলে নেওয়া নজিরবিহীন ঘটনা। এধরনের একটি ঘটনা তারাই ঘটায় যারা তাদের অপরাধে ভীত হয়ে সাংবাদিকতার গলা টিপে ধরতে চায়।

ঢাকার নিকুঞ্জ এলাকায় শনিবার রাতে সংবাদ মাধ্যমটির কার্যালয়ের ভেতরে সেনা সদস্যদের উপস্থিতির ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। একটি সংবাদ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় এভাবে সংবাদ কর্মীদের তুলে নেওয়ার ঘটনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

তবে বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর- এর পরিচালক দাবি করেছেন, ঘটনাটির সমাধান হয়ে গেছে এবং এ নিয়ে বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝির আর কিছু নেই।

একটি গণমাধ্যম কার্যালয়ে গিয়ে এভাবে সাংবাদিকদের সেনাসদস্যরা তুলে নিয়ে যেতে পারে কিনা, সামাজিক মাধ্যমে অনেকে সেই প্রশ্ন তুলেছেন।

তার মানে এসব আচরণের মধ্য দিয়ে কি বার্তা বা ইঙ্গিত করতে চাইছে সেনাসদস্যরা বা সেনাপ্রধান জামায়াতী ওয়াকার উজ জামান?

এটি কি বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমকে একটু আগাম জানান দেয়া যে- ১২ ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে যাই ঘটুক না কেন বা সেনাসদস্যরা যাই করুক না কেন তার কোন কিছুই প্রকাশ করা যাবেনা ?

আশ্চর্যের বিষয় হলো এই চরম ঘৃণিত, ন্যাক্কারজনক ও উদ্বেগজনক ঘটনায় বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সংগঠনগুলোকে তেমন কোন প্রতিবাদ করতে দেখলাম না। কারণটি কি তা অবশ্য জানতে পারিনি।

শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বিবৃতি দিয়েছে। অন্যরা তামাশা দেখছে মনে হয়। তবে যে বিবৃতিটি দেয়া হয়েছে তাতে ‘যদি’ শব্দটির ব্যবহার দেখে হতাশ হয়েছি। বাংলাদেশ টাইমসের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে কর্তব্যরত ২১ জন সংবাদকর্মীকে অফিস থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন- বিওজেএ’র সভাপতি জাহিদ ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক এম ইব্রাহিম সরকার।

এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের অফিসে প্রবেশ করে সাংবাদিকদের ঘেরাও, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং তুলে নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর এবং নজিরবিহীন।

যদি সত্যিই কোনো বাহিনীর নাম বা পরিচয় ব্যবহার করে এ কাজ করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি আরও ভয়ংকর, কারণ এটি রাষ্ট্রের শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা এবং আইনের অপব্যবহার।

যেখানে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে সেখানে সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো রহস্যজনক নীরব কেন তা বুঝতে পারলামনা। বাংলাদেশ টাইমসের প্রচারিত একটি ভিডিওতে সেনাপ্রধানের সমালোচনা করা হয়েছে এজন্যই নাকি সেনাদের এ আক্রোশ।

তবে এটি বাংলাদেশ টাইমসের নিজস্ব কোন মন্তব্য নয় সেনাপ্রধান সম্পর্কে। রাজপথে থাকা এক নারী নাকি সমালোচনা করেছিলেন এবং সেটি বাংলাদেশ টাইমস প্রচার করেছিল মাত্র। এতেই মস্তবড় অপরাধ হয়ে গেছে ?

কিন্তু এনসিপি’র কালো পাঁঠা খ্যাত হাসনাত আবদুল্লাহ কত বিশ্রীভাবে সেনা প্রধান ওয়াকার সম্পর্কে বলেছে। এজন্য কালা পাঁঠার অনুসারি ক্যাডাররা শ্লোগান তুলেছিল- ওয়াকার না হাসনাত? হাসনাত.. হাসনাত । এতে কোন সম্মানহানি হয়নি ওয়াকারের।

আরেক কালপ্রিট টাকলা ফুয়াদ নামে পরিচিত সেতো সেনানিবাসই গুঁড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছিল। এসবই কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাতে আমাদের জামায়াতি সেনাপ্রধান ওয়াকারের কোন সমস্যা হয়নি, কোন মানসম্মানের ব্যাঘাত ঘটেনি। ঘটেছে শুধু সাংবাদিকেরা কেন প্রচার করলো তাতে?!

তবে ঘটনা যাই ঘটুক না কেন সেনা সদস্যদের এ আচরণ কোনভাবেই সুখকর নয় সাংবাদিকদের জন্য। কিন্তু তারা রহস্যজনকভাবে চুপ চাপ রয়েছেন।

এদেশের সুশীল সাংবাদিকেরা চুপ মেরে আছেন কেন ?

ওই যে লেখার শুরুতেই বলেছিলাম- ইউনুসগং বেসামাল-বেদিশা হয়ে যা খুশী তাই করা শুরু করেছে। তার অপদেষ্টাসহ অনেক উচ্চপদস্থ বংশবদ সরকারি কর্মকর্তারা তাদের লাল পাসপোর্ট ত্যাগ করে সবুজ পাসপোর্ট নিয়েছেন। শুধু তাই নয় দেশ ত্যাগের জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশের ভিসাও লাগিয়ে নিয়েছেন। তার মানে কি?

১২ ফেব্রুয়ারির পর পরই তারা পাততাড়ি গুটাতে চান জনরোষের হাত থেকে বাঁচার জন্য ?

কেউ কেউ বলছেন—কয়েকটি ইস্যু নিয়ে নানা সেক্টরে আন্দোলন জোরালো হয়ে উঠলে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। যা হয়তো ওয়াকারের সেনাসদস্যরাও সামাল দিতে পারবেনা।

এসব ইস্যুর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা বিদেশীদের কাছে লিজ দেয়া নিয়ে আন্দোলন তীব্র হয়ে বন্দর পুরোপুরি অচল হয়ে যেতে পারে। দেশের মোট আমদানী-রফতানির অধিকাংশই হয় এই বন্দর দিয়ে। সরকারি কর্মকর্তাদের পে-স্কেল বাস্তবায়ন আন্দোলন জোরালো হচ্ছে।

এরই মধ্যে পুলিশ তাদের মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার পর তারা আবার যমুনা অভিমুখি মিছিলের ডাক দিয়েছে। এই আন্দোলনে সচিবালয় ও অন্যান্য সেবাদান প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও যোগ দিতে পারে। তালা ঝুলতে পারে সচিবালয়ে। উপদেষ্টাদের অনেকে মনে করেন এমনটা হলে কোনোভাবেও নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।

ফলে এতদিন ইউনুস গংয়ের সুবিধাভোগীরা মানে মানে কেটে পড়তে চাইছেন। অপরদিকে দেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারি দল আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ ও ইলেকশনে অংশগ্রহন করতে না দিয়ে যে ইলেকশনের নামে যে পাতানো ‘সিলেকশন’ করতে যাচ্ছে ইউনুস-জামায়াত-ওয়াকার গং তাতে যে প্রচন্ড গন অসন্তোষ শুরু হবে তা মোটামুটি আঁচ করতে পেরেছে ইউনুস গংয়ের সদস্যরা।

স্বাভাবিকভাবেই যদি সংঘাত লেগে যায় তা হবে তীব্রতর। এই সংঘাত সামাল দেয়া কোনভাবেই ইউনুসের ইন্টেরিম সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। যে এনার্কি শুরু হবে তা সামলাতে পারবেন না।

কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের সদস্যরা আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে দেশের পরিস্থিতি জেনেছেন। তারাও আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ ও তাদেরকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করাটাকেও সঠিক মনে করছেন না।

ইউরোপীয় ইউনিয়নও স্পষ্ট করেই বলেছে-দেশের সিংহভাগ ভোটারের ভোটদানের অধিকার বঞ্চিত করা হলে ( মানে আওয়ামীলীগকে বাদ দিয়ে ) নির্বাচন সর্বজনগৃহিত হবে না বরং প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

মোটামুটিভাবে দেশের ভেতরে ও বাইরে ইউনুস গংয়ের আর তেমন কোন বন্ধু নেই পাকিস্তান ও তুরস্ক ছাড়া। কিন্তু তারাও নিশ্চয় পরাশক্তির কথার বাইরে যেতে পারবেনা। ইউনূস ঘরে-বাইরে সকল শক্তির উৎসগুলো একে একে নিভে যেতে শুরু করেছে।

তো ইউনুস যদি ওয়াকার বাহিনীর সহায়তায় ও মদদে ইলেকশনের নামে ‘সিলেকশন’ করতেও সক্ষম হন তাতেও তিনি রেহাই পাবেননা।

সব বন্ধু ছেড়ে গেলেও ইউনুস যেমন জামায়াত জোটকে ছাড়া চলতে পারবেনা তেমনি জামায়াতও ইউনুস-ওয়াকার ছাড়া থাকতে পারবেনা। যেই জামায়াতের ওপর এত খোশদিল ইউনুস-ওয়াকার সেই দলের আমীরে জামায়াত কি বলেছেন তা একটু দেখে।

একাত্তরের খুনী, ধর্ষক, লুটপাটকারি যুদ্ধাপরাধীর ঘৃণিত দল হিসেবে কুখ্যাত জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বয়ান—“ জামায়াত জাতিকে মিথ্যা কোনো আশা দেবে না। কিন্তু একটা কথা আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলবো— বাংলাদেশের মানুষের জীবন, সম্পদ এবং ইজ্জত এই তিনটার পাহারাদার হব আমরা।”

রাজধানী ঢাকার মেরুল-বাড্ডা এলাকায় ঢাকা-১১ আসনে জামায়াত-এনসিপি জোটের ক্যান্ডিডেট নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী প্রচারনা জনসভায় এ মন্তব্য করেন শফিকুর। তাকে তার বিরোধীরা মানে তাকে যারা অপছন্দ করেন তারা ‘ সাদা শকুন’ বলেও ডাকেন। আসলেতো শকুনই।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই রাজাকার দলের সদস্যরা যে জঘণ্য অপকর্ম করেছিল তাতো বাঙ্গালী ভুলে যায়নি।

এই খুনী জামায়াত একাত্তরেও এ ধরনের কথা বলে, ইসলামের কথা বলে মানবতাবিরোধী সব অপকর্ম করেছিল। বাংলাদেশের মানুষের জীবন,সম্পদ ও ইজ্জত এই তিনটির পাহারাদার নাকি জামায়াতে ইসলামী দেবে !!!

একাত্তরে তারা জীবনের পরিবর্তে খুন, সম্পদ রক্ষার বেলায় লুট আর ইজ্জত রক্ষার বেলায় ধর্ষন করেছিল বাংলার মা-বোনদের। নিজেরা করেছিল ও পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিল। আর আজ সেই খুনীর দল-ধর্ষকের দল-লুটেরার দল বলছে তারা এসব রক্ষা করবে ?! সেলুকাস !!

এদেশের মানুষও তা বিশ্বাস করে। এই বাংলার বেশ কিছু মানুষই এই সাদা শকুনদের দলের পেছনে হাঁটে !

তাদেরকে ইসলামের রক্ষক মনে করে !
তবে যে যাই বলুক বাংলাদেশের ওপর এখন তিন শকুন। এক হলো সুদী ইউনুস শকুন। আরেকটি হলো সামরিক আলখেল্লা পড়া ওয়াকার শকুন। আর আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সাদা শকুন। এই তিন শকুনকে আজ হোক কাল হোক বাংলার জনগণ ছাড় দেবে বলে মনে হয়না। শুধু পরিবেশ পরিস্থিতির জন্য অপেক্ষা।

# রাকীব হুসেইন: লেখক, প্রাবন্ধিক।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *