ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার জন্য পথে নেমেছে রাজাকার, পাকির ঔরসে জন্ম নেয়া সন্তানেরা।
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে সংবিধান পেয়েছি, সেটা চলবে নাতো কি দেশ বিরোধীদের দেশবিক্রি করার সংবিধান চলবে?
জামাত আর জামাতের শাখা প্রশাখাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। তবে নির্মম ও জঘন্যতম বাস্তবতা হলো, ২০২৬ এর জাতীয় নির্বাচনের সাথে যে গণভোট হয়েছে সেটা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম গণপ্রতারনা।
শুধুমাত্র জামাত-এনসিপি’র স্বার্থ উদ্ধার করতেই আলী রিয়াজ নামক প্রাণীটির নেতৃত্বে একটা নাটক সাজানো হয়েছিল সংবিধান সংস্কার কমিশন নামে।
সেই নাটক দিয়ে মাসের পর মাস সময় নষ্ট করে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করেছিল জামাতিদের ইশারায় চলা ইউনুস সরকার।
এখন আবার একটা হুলুস্থুল সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিএনপি খুব বেশিদিন এই প্রাণীদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না।
নাহিদ-হাসনাত-শফিকুরেরা সংসদে গণভোট নিয়ে মাছের বাজারের ক্রেতার মত করে চিৎকার চেচামেচি করেছে। নুন্যতম জ্ঞান বুদ্ধির চর্চা এদের নেই।
এবার গণভোটের রায় কার্যকর এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে শনিবার তথা ৪ এপ্রিল রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় ঐক্য।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ।
তিনি অভিযোগ করেন সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় ব্যার্থতার পরিচয় দিয়েছে৷ বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার মতোই ফ্যাসিবাদী পথে হাটছে উল্লেখ করে এই নেতা জানান, জনস্বার্থ রক্ষায় রাজপথের আন্দোলন ছাড়া ১১ দলের আর কোন বিকল্প নেই৷
তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারই করতে হবে’।
হামিদুর রহমান বলেন, ‘১১ দলের আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে রাজপথের আন্দোলন ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই৷ শনিবার বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে ১১ দল।’
আর গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আগামী ৭ এপ্রিল বৈঠক করে দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করবে ১১ দল, এমনটাই জানানো হয়।
