ঢাকা: গণভোটের কোনো আইনি ভিত্তি আছে? সংবিধান সংস্কার ৭১ এর পরিপন্থি সুতরাং তা ষড়যন্ত্র।

হুমকি যাই আসুক, সংবিধান রক্ষা করতে হবে।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকলে আগামীকালই হবে সরকার শেষ অধিবেশন।

শনিবার তথা ১৪ মার্চ রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে এই হুমকি দেন তিনি।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আগামীকাল সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামবে ১১ দল।

২৮ মার্চ শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চূড়ান্ত করা হবে আন্দোলনের রূপরেখা।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ আংশিকভাবে নয়, সম্পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি আমাদের ১১ দলীয় ঐক্যের।

বাংলাদেশের তো হাজার হাজার সমস্যা। আরও অনেক সমস্যা রয়েছে, জামায়াতে ইসলাম সে সব সামনে না এনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার জন্য এতো পাগল হচ্ছে কেন? এর কারণ খুব স্পষ্ট।

দেশবাসী আগেও জানেন ৭২ সালের বঙ্গবন্ধুর সংবিধান কে ফেলে দেওয়াই এদের মূল লক্ষ্য।

৭২ এর সংবিধান হচ্ছে আমাদের স্বাধীনতার রক্তে লেখা সংবিধান। ফলে জামায়াতে ইসলাম ও তাদের সংগঠন এনসিপি চায় রাষ্ট্রকে দুর্বল করতে ৭২ এর সংবিধান মুছে দিতে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে পারলে জামায়াতে ইসলাম ৭১এর রাজাকার উপাধি থেকে মুক্তি পাবে, তাদের রাজনীতির মাঠ আরো পরিষ্কার হয়ে যাবে।

পাকিস্তানি কুকুরগুলো তাই ক্ষেপে উঠেছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নামে কোনোকিছুর বাস্তব অস্তিত্ব নেই।

আর সংবিধান সংস্কারের কাজ সংবিধান অনুযায়ীই হয়, আপনার আমার ইচ্ছায় নয়।

আর ঐ যে জামাতের জোট থেকে নির্বাচিত এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে শপথ যে নিলো এটা একটা তামাশা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *