ঢাকা: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিতর্কিত উপদেষ্টা ও দেশব্যাপী মবের উস্কানীদাতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্থপাচারের অভিযোগ আছে তাঁর ওপর।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, গত ১৬ মাসে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে উপার্জিত প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা দুবাই, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরে পাচার করা হয়েছে।
দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার দেশের সব ব্যাংকে চিঠি দিয়ে তাঁর হিসাবসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আগামি তিন কর্মদিবসের মধ্যে আসিফ মাহমুদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার ফরম, লেনদেনের সমস্ত বিবরণসহ সমস্ত তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।
জুলাই দাঙ্গায় নেতৃত্ব দেওয়া আসিফ মাহমুদের চেহারা ছিলো চোরের মতো, পায়ে চপ্পল। এখন সে কী?
দুর্নীতি তো আছেই তাছাড়াও দেশে মব কালচার গড়ে ওঠার পিছনে যে কয়জনের ভূমিকা আছে তাদের মধ্যে আসিফ মাহমুদ অন্যতম একজন।
এখন ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে যদিও এটিকেও সন্দেহের চোখেই দেখা হচ্ছে।
বিএফআইইউ’র তলব প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটা আসলে আইওয়াশ।
এমন মনে হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কারণ দুর্নীতিবাজরা নিজেদের ব্যাংক একাউন্টে দুর্নীতির অর্থ জমা রাখেন না।
বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্র উপদেষ্টারা যেভাবে বিদেশী ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে মেটিক্যুলাসলি কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে জঙ্গী আন্দোলনের রূপান্তরিত করে সরকার উৎখাতের কাজ করেছে, এইসব দুর্নীতির টাকা কি ব্যাংক একাউন্টে রাখবে এত খোলাখুলি?
