ঢাকা: “জুলাই জাতীয় সনদ” হচ্ছে সম্পূর্ণ সংবিধানবিরোধী ষড়যন্ত্র।

জুলাই সনদ মানেই হচ্ছে গণহত্যার লাইসেন্স,সংবিধানে তা যুক্ত করার পেছনে ইউনুসের ভয়ংকর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে উচ্চ আদালতের আদেশে কার্যত ঝুলে গেলো গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন।

২০২৪ সালের তথাকথিত ‘জুলাই যোদ্ধা’দের নাম ব্যবহার করে একটি সহিংস, রক্তাক্ত, নৈরাজ্যিক ঘটনা বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছিল।

পুলিশের রক্ত, জনগণের কান্না, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ধ্বংস, আইনের শাসনের বিপর্যয় এইসবই সেই তথাকথিত ‘জুলাই বিপ্লব’-এর আসল মুখোশ।

আর এই ভয়াবহ ঘটনার নাটের গুরু তথা জঙ্গীদের দায়মুক্তি দিতে এবং ইতিহাসের দায় এড়াতে গভীর চক্রান্ত চলছে। আর সেটা হচ্ছে ‘জুলাই সনদ’কে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব।

এর পেছনের উদ্দেশ্য একটাই জুলাই মাসে সংঘটিত রাষ্ট্রদ্রোহমূলক, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, এবং হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া। এবং এসবের মধ্যমণি ড. ইউনুস।

আর এই জুলাই জাতীয় সনদ, গণভোটের অধ্যাদেশ এবং নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

জনাকীর্ণ আদালতে দুটি পৃথক রিটের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন।

রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সংসদ সচিবালয় থেকে নবনির্বাচিত সাংসদদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তা কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

এবং গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ৩ নম্বর তফসিল—যার অধীনে রাজনৈতিক দলগুলো ৩০টি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল—তা কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না? সে বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

দ্রুত এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জাতীয় সংসদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, নির্বাচন কমিশন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আগামি চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *