ঢাকা: সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে, যার ফলে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই বহাল থাকছে।
আওয়ামী লীগকে এত সহজে নিষিদ্ধ করা যায় নাকি? আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হলে বঙ্গবন্ধুর ও আওয়ামী লীগের আত্মত্যাগ-সংগ্রাম করে তৈরি করা পুরো বাংলাদেশ নিষিদ্ধ করতে হবে।
আওয়ামী লীগের উন্নয়ন দেদার উপভোগ করছে, এদিকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ। তাহলে তো সবই নিষিদ্ধ করতে হয়।
মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ উড়ে এসে জুড়ে বসা কোন দল নয়।
১২ই ফেব্রিয়ারি থেকে ৮ই এপ্রিল,
সময় দু মাসও হয়নি।
যে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদে সরকারি দলের আসনে বসেছেন সেই নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ভোট পাওয়ার কৌশল হিসেবে জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সাবেক এটর্নি জেনারেল বর্তমান আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান সহ অনেক নেতৃবৃন্দরা বলেছিলেন, “আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে হওয়া সকল মামলা তুলে নেওয়া হবে।”আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের নিষিদ্ধের পক্ষে নই!! এমন আরো অনেক।
কিন্তু…!?
এগুলো ছিলো কৌশল। আজ তারা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগতো সেই রাজনৈতিক সংগঠন যার নেতৃত্বে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে।
একতরফা অবৈধ বিল পাস করে এখন রাজার হাল হবে বিএনপির? তাই ভেবেছে? জামাত চেপে বসবে ঘাড়ে খুব বেশিদিন নেই।
আজ, বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১২টা নাগাদ জাতীয় সংসদে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে পূর্বে জারি করা নিষেধাজ্ঞা আইনগত ভিত্তি পেল।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা তাদের কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে!?
এর আগে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সব সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল।
