ঢাকা: উপদেষ্টা নামক অপদেষ্টারা মারাত্মক দুর্নীতিতে জড়িত। দুর্নীতি করে গোটা দেশকে একটা ম্যানহোল বানিয়ে ফেলেছে এরা।

সাবেক পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানার ১২ হাজার কোটি টাকা পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

ভালোমানুষী দেখানোটা কেবল লোকদেখানো ছিলো তাঁদের। মহাদুর্নীতির একটি নিখুঁত ছদ্মবেশ।

মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়া অভিযোগগুলো বিশ্লেষণ করলে ভয়ংকর সমীকরণ সামনে আসে।

শুধু রিজওয়ানা হাসান নন, বিদায়ি সরকারের দায়িত্ব ছাড়ার এক সপ্তাহের মধ্যে পুরো মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে দুদকে রেকর্ডসংখ্যক দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধে ওঠা ১২ হাজার কোটি টাকার মানি লন্ডারিং ও দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি করেছে।

সাবেক যুব ও শ্রম উপদেষ্টার বিরুদ্ধে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ, ঘুষ গ্রহণ এবং ‘বিটকয়েন’ (ক্রিপ্টোকারেন্সি) ব্যবহারের মাধ্যমে বিদেশে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ উঠেছে।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার পর এবার অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক তিন উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

কিন্তু হিসাব তলবকে আই ওয়াশ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ফাওজুল কবির খান, আদিলুর রহমান খান ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) খোদা বখস চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এই বিষয়ে চিঠি পাঠিয়ে তাদের অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে।

তবে দুর্নীতি করলে কে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা রাখে?

চিঠিতে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের সব তথ্য নথিভুক্ত করে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউতে পাঠাতে বলা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *