ঢাকা: অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা সবদিকে প্রশ্নবিদ্ধ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের সাথে গণভোটের ভোটগ্রহণ হবে।

হ্যাঁ ভোটের জন্য উতলা ইন্টেরিম।

মূলত এটি বলাই যায়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি আসলে একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী। তাঁর মধ্যে দেশ শাসনের কোন গুণটা আছে?

সবকিছু দেশের সংবিধান ধ্বংসের নীলনকশা।

ইউনূস সহ উপদেষ্টারা যে আর নিরপেক্ষ নন, বা ছিলেনও না, তা আবারো প্রমাণিত।

গণভোটে প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তাঁরা নিজেরাই নিজেদের নিরপেক্ষতার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছেন। এটি তারা অস্বীকার করতে পারবেন?

সব পরিকল্পনা হচ্ছে ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে। পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়ন করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি—বিশেষ করে জামায়াত-শিবিরের সক্রিয় নেটওয়ার্ক।

এই গণভোটের আড়ালে মূল লক্ষ্য একটাই—বাংলাদেশের সংবিধান ও সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস গোষ্ঠীসহ জুলাইয়ের সকল কুশীলবকে দায়মুক্তি দেওয়া।

প্রসঙ্গত, প্রধান উপদেষ্টার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের পেইজে গণভোটের ‘হ্যাঁ’- তে সিল দিন এ রকম একটি ফটোকার্ড শেয়ার করার পাশাপাশি ভিডিও চিত্রেও জনগণকে হ্যাঁ ভোট দিতে আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই ভিডিওচিত্রে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনকারী, নিহতদের পরিবারের সদস্য, গুম কমিশনের সদস্যের বরাতে ‘হ্যাঁ’ ভোট কেন দিতে হবে সেটির ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে ।

ব্যাংক কর্মকর্তা, স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসার শিক্ষকদের পর্যন্ত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *