ঢাকা: দখলদার ইউনুসের মেটিক্যুলাস ডিজাইনের নির্বাচনের আসল উদ্দেশ্যটা হচ্ছে দেশকে জঙ্গিদের হাতে তুলে দিয়ে পুরোপুরি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা।

এখনো জঙ্গীদের হাতেই, তবে স্বীকৃত ভাবে জঙ্গীগোষ্ঠীর হাতে তুলে দেয়ার পাঁয়তারা শুরু হয়ে গেছে।

যাদের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল, যারা সন্ত্রাসী, বোমা, হত্যার সাথে জড়িত, রাজাকার, তাদেরকে মুক্তি দিয়ে “মূলধারায়” নিয়ে আসা নিয়ে আসা হয়েছে।

জনগণকে ধোকা দিতেই নাম দেওয়া হয়েছে “নির্বাচন”।

কিন্তু বাস্তবে এই ভোটের আয়োজনের মানে একটাই, রাষ্ট্রীয় বৈধতা দেওয়া হচ্ছে সেই শক্তিগুলোকে, যারা বাংলাদেশকে আবার অন্ধকারে ঠেলে দিতে চায়।

এই কারণেই দেশের সবচেয়ে বড়, ধর্মনিরপেক্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে। কারণ তারা থাকলে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব না। আওয়ামী লীগ থাকলে জিতবেই, তাই জোরজবরদস্তি তাদের বন্ধ করা হয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ‘পাতানো খেলা’ ও ‘জনগণবিহীন প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে রাজপথ উত্তপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

সংগঠনটি দশ দিনব্যাপী এক টানা গণসংযোগ ও সর্বাত্মক ‘প্রচার যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছে।

২২ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সারাদেশে জেলা, মহানগর থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি সাংগঠনিক ইউনিটে চলবে বিশেষ কর্মসূচি।

কর্মসূচির আওতায় স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার এবং অফিস-আদালতে লিফলেট বিতরণ, দেয়াললিখন ও পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে জনমত গঠন করা হবে।

ছাত্রলীগের তরফ থেকে বলা হয়েছে:

‘প্রহসন, প্রতারণা, জনগণের অংশগ্রহণবিহীন সমঝোতার একতরফা নির্বাচন বয়কট করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ জনতা।

ক্লাসের খাতায়। স্কুল-কলেজের দেয়ালে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। পাড়া-মহল্লায়। হাটে-ঘাটে। গ্রামে-শহরে। বাজারে-বন্দরে-কারখানায়। বাস-ট্রাক-রেল-লঞ্চে। রিক্সা-অটো-সিএনজিতে। অফিস-আদালতে। তথ্যচিত্র-সংবাদপত্রে। দরখাস্ত-চিঠি-আবেদনপত্রে। ফেসবুক, টিকটক, ইন্সটা, স্ন্যাপচাটে। ইনবক্স, টাইমলাইন, বায়ো, স্টোরি, রিলসে। কবিতায়, গানে, সুরে। গল্প, আড্ডা, আনন্দ, বেদনায়। সবখানে লিফলেট বিতরণ, দেয়াল-লিখন, পোস্টারিং হবে।

দেশকে মুক্ত করতে। ঐক্যবদ্ধ করতে। প্রতিকার পেতে। প্রতিবাদে রুখে দাঁড়াতে। অধিকার আদায়ে। দখলদারের শোষণের বিরুদ্ধে।

রাজাকারের রাজনীতি ও জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের বিনাশ করতে। উন্নতি, সমৃদ্ধি, শান্তি ও শৃঙ্খলার জন্য। ন্যায় ও জবাবদিহিতায়। জনতার সম্মান ও নিরাপত্তার জন্য। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে লিফলেট বিতরণ, দেয়াললিখন, পোস্টারিং ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জেলা-মহানগর-বিশ্ববিদ্যালয়-উপজেলা-পৌর-কলেজ-হল-ওয়ার্ড-ইউনিয়নসহ সকল পর্যায়ের সাংগঠনিক ইউনিটসমূহে লিফলেট বিতরণ, দেয়াল-লিখন, পোস্টারিং কর্মসূচিসমূহ জরুরি ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হল’।

জনগণের প্রতি তাদের আহ্বান:

প্রহসনের নির্বাচনে ভোট দিবেন না –
No Boat, No Vote ;
নৌকা ছাড়া কিসের ভোট !?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *