ঢাকা: কাকে হত্যা করেছেন আইভি রহমান? মিথ্যা মামলায় আর কতদিন শাস্তি? বলতে পারবে বিচার ব্যবস্থা?
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী একটি হত্যা মামলায় সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দিয়েছে আদালত।
যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন আওয়ামী লীগের সমর্থক, নেতা কর্মীরা।
বিচারকের নিরপেক্ষহীনতা ও ক্ষমতাসীন দলের গোলামী ছাড়া আর কী বলা হবে একে?! কাকে খুন করেছেন আইভি?
ইন্টেরিয়র মিস্ত্রি সেলিম মন্ডল হত্যা মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
মিথ্যা, ভুয়া মামলায় দিনের পর দিন কারাগারে দিন কাটাচ্ছেন সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী নেতারা! বয়স্ক, অসুস্থ, কিন্তু ছাড় নেই। কারাগারে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন তাঁরা।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আইভি রহমানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এ নিয়ে এই মামলায় দুই দফায় তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে আদালত।
উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে গত ৫ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা খাতুন আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে আইভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত।
আইভির আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেন, মামলার এজাহারে আইভীর নাম নেই। এজাহারকারী অয়ন ওসমান, আজমেরী ওসমানকে চিনতে পারলে সেখানে আইভী থাকলে তাঁকেও চিনতে পারতেন এবং তার নাম উল্লেখ করতেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনগড়াভাবে ও হয়রানি করার জন্য আইভীকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। আমরা আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। আমরা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।
আইভী নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি। তিনি বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কারাগারে বন্দী আছেন।
এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্টেরিয়র মিস্ত্রি সেলিম মন্ডল হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। এ নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাসহ মোট এগারোটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
