ঢাকা: সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের ঘটনাটি এতটাই নিন্দনীয় যে সারা দেশের জনগণ এই নিয়ে কথা বলছে। আওয়ামী লীগ প্রতিবাদ জানায় এই ঘটনায়।

আসলে আমরা যারা আশাবাদী, সবাই মনে করেছিলাম, বুঝি ইউনূস আর সরকারে নেই- একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা যায়। কিন্তু না…!

বিএনপি জামাত ইউনূস যে একই খেতের মুলো তা আবার প্রমাণ হয়ে গেলো। বিএনপি তার চরিত্র পাল্টাতে পারেনি।

শিরীন শারমিনের গ্রেপ্তার রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তাঁকে যে এমনভাবে গ্রেপ্তার করা হবে, সেটা ভেবেই আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছে মানুষ।

এবার সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগ বিবৃতি দিয়েছে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে।

বিবৃতিতে লেখা হয়েছে:

“জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ওপর নগ্ন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে পরিচালিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট হত্যা মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় আমরা সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. লুৎফর রহমান রুপন এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল তানসেন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন “রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দমন-পীড়ন কেবল ব্যক্তি নয়, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। এ ধরনের কর্মকাণ্ড একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রেরই বহিঃপ্রকাশ।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় দায়িত্ব পালনকারী একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তাঁর মতো একজন প্রতিষ্ঠিত, সুশিক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে হঠাৎ করে একটি পুরনো ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো সমগ্র দেশের বিচার ব্যবস্থার এক লজ্জাজনক দৃষ্টান্ত।

বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী ক্ষতের সৃষ্টি করবে, যার ফলাফল দেশ ও জাতির জন্য চূড়ান্ত অশনিসংকেত।”

সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগ অবিলম্বে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *