ঢাকা: সুদী জঙ্গী ইউনুস দীর্ঘ সময় ধরে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ সর্বজন শ্রদ্ধেয়া স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গুম করে রেখেছিলেন বলে খবর।
অতঃপর বিএনপি তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শিরীন শারমিনের গ্রেপ্তারির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে জনগণ।
বিএনপি সরকার কার কথায়, কাদের অঙ্গুলিহেলনে পরিচালিত হচ্ছে তা পানির মতো পরিষ্কার।
গণতন্ত্রের দেশে সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে নিয়ে নোংরা নাটক সাজানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন তাকে গুম করে রাখার পর এখন আটকের যে খবর প্রচার করা হচ্ছে, তা কেবল মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনই নয়, বরং দেশের বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতাকে বিশ্বদরবারে হাস্যকর করে তুলেছে।
বিএনপি সরকার কী জবাব দেবে? কী দোষ শিরীন শারমিনের?
এতদিন তাকে কোথায় রাখা হয়েছিল?
কার নির্দেশে তাঁকে জনসমক্ষ থেকে দূরে রাখা হলো? কেন এই লুকোচুরি? কেন তাঁকে জনসমক্ষে আসতে দেয়া হয়নি?
শিরীনের গ্রেপ্তারি প্রমাণ করে যে, দেশে এখন আইন নয় বরং পেশীশক্তির শাসন চলছে। ঠিক যেমন চলেছে জঙ্গী ইউনূসের কালে, এখনো তাই চলছে।
এভাবে মানুষকে গুম করে রাখা এবং পরে ‘আটক’ দেখানোর পুরনো স্ক্রিপ্ট জনগণ আর বিশ্বাস করে না।
জানা গেছে, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটকের পর রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ডিবি।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের নিজের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
তবে তাঁকে কোন মামলায় বা কী কারণে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটকের বিষয়টি নিশ্চিত এবং এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল শিরীন শারমিন চৌধুরী স্পিকার নির্বাচিত হন এবং এরপর থেকে টানা তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সর্বশেষ, গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর তিনি পুনরায় স্পিকার নির্বাচিত হন।
শিরীন শারমিন রংপুর-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ২৭ দিনের মাথায় তিনি পদত্যাগ করেন।
