পটুয়াখালী: কারাগারে মারা গেলেন আরও একজন ছাত্রলীগ নেতা। এইভাবেই মৃত্যুবরণ করছেন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা।
এবারো এক ছাঁচের বক্তব্য: ‘হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়’।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক খান কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছেন।
পরিবার ও সহকর্মীদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী ছিলেন এবং অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও জামিন পাননি।
জানা গেছে, প্রায় ১৮ মাস ধরে তিনি কারাগারে আটক ছিলেন। অর্থাৎ জঙ্গী ইউনূসের কালে তাঁকে বন্দী করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, অসুস্থ অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা ও জামিনের সুযোগ না পেয়ে তার মৃত্যু হয়।
শফিক খানের মৃত্যুর পর তার সহকর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তারা দাবি করেছেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা হয়রানি ও নির্যাতন চালানো হয়েছে এবং বর্তমান প্রশাসনও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের পর ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ১৫ মাসে ১১২ জন কারা হেফাজতে মারা গেছেন, গত দুই মাসে এই সংখ্যা আরও বেড়েছে।
সংস্থাটির হিসেবে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে মারা গেছেন ৯৫ জন। মৃতদের তালিকায় বেশিরভাগ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।
কারা কর্তৃপক্ষ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে পটুয়াখালী কারাগারে সফিক খান অসুস্থ হওয়ায় তাকে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
