ঢাকা: বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত মেধাবী, নম্র ভদ্র, নিরহংকারী, মার্জিত রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর গ্রেপ্তারি দেশের সরকার এবং আইন ব্যবস্থার ওপর আবারো প্রশ্ন তুলে দিলো!
এই কী গতি দেশের!?
তীক্ষ্ণ মেধাবী, সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রথিতযশা নারী এবং দেশের ইতিহাসের প্রথম নারী স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে এহেন অমানবিক আচরণ প্রমাণ করছে আমরা একটা বিবেক বিবর্জিত অসভ্য,উগ্রবাদী রাষ্ট্রে বসবাস করছি।
এই দেশে মানুষের যোগ্যতা, সম্মান আর অর্জনের চেয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি প্রাধান্য পায়।
ধিক্কার! হে রাষ্ট্র ধিক্কার!
শিরীন শারমিনের ওপর যে অমানবিক নির্যাতন হয়েছে তা ছবিতেই স্পষ্ট। এবং এই ঘটনা আগামি রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত।
মিথ্যা মামলার শিকার শেষ পর্যন্ত সজ্জন শিরীন শারমিন!
কোথাকার কোন আশরাফুল? সব মিথ্যা, ষড়যন্ত্র।
জুলাই আন্দোলনে লালবাগ থানায় আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টা মামলায় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২ দিনের রিমান্ড শুনানি শুরু হয়েছে।
শুনানি শেষে আদালত আসামির রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
আজ, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১টার ৫৬ মিনিটের দিকে একটি সাদা মাইক্রোতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় শিরীন শারমিনকে। এরপর আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
শিরীন শারমিনের ২ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন লালবাগ জোনের কোতোয়ালি জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহসীন উদ্দীন। পরে ৩টা ১০ মিনিটের দিকে হাজতখানা থেকে এজলাসে তোলা হয়।
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান আসামির রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতোমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন।
