ঢাকা: একজন সস্তা জোকার জামাত আমির। জামাতের বুদ্ধির দৌড় কেমন, সেটা তাদের আমিরকে দেখলেই বোঝা যায়।
যেই লোক একটা শীতল পাটি পেলেই গড়াগড়ি শুরু করে দেন, তিনি যদি এমপি হয়ে যান, তাহলে কি করবেন?
শফিকুর রহমান যে কখন কী করছেন, কিসের গীত গাইছেন নিজেও বলতে পারেন না।
পাগলে কী না কয়, ছাগলে কী না খায়? তবে শফিকুর সাহেব তো পাগল নন, ঐ জাতে মাতাল তালে ঠিক…!
নাহলে একজন রাজাকার, জামাতি কি করে বলেন তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান?
এতে করে আসলে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি নিজেও এক শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। তার ভাই জীবন দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে, তবে বর্তমান বাংলাদেশের চিত্র দেখলে তিনি হয়তো সেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন না।
কত যে নাটক তাদের!
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে হবিগঞ্জে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখনো মায়েরা ঘরে নিরাপদ নন, ঘর থেকে বের হলেও চলাচল নিরাপদ নয়, কর্মস্থলেও নিরাপত্তা নেই।
চাঁদাবাজ ও মামলাবাজের ভয়ে সাধারণ মানুষ অস্থির। দুর্নীতি আমাদের সমাজকে ব্যাপকভাবে ছুঁয়ে ফেলেছে। এই বাংলাদেশ কি আমরা চাই?
তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এখানে অনেক রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের সন্তান রয়েছেন।
আমি নিজেও এক শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার ভাই জীবন দিয়েছেন, কিন্তু বর্তমান অবস্থায় এমন বাংলাদেশের চিত্র দেখলে হয়তো তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন না।
জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন না হওয়ার মূল কারণ হলো অসৎ নেতৃত্ব। নির্বাচনের সময়ে তারা জনগণের কাছে পীর, দরবেশ, আউলিয়া হিসেবে হাজির হয়, বসন্তের কোকিলের মতো সুন্দর ছবি দেখায়। তবে নির্বাচনের পর তারা অদৃশ্য হয়ে যায়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইসলাম ধর্মীয় ব্যাপারে অতিরিক্ত জোর দেয় না।
