ঢাকা: দুই, একজন জামিন পেলেই আনন্দে লাফানোর মতো কিছু ঘটেছে বলে মনে হয়না। কারণ আবার যে শ্যোন এরেস্ট দেখানো হবে না তার কি নিশ্চয়তা আছে?
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বিচারপতি মানিককে কম অত্যাচার করা হয়নি।
আদালতে প্রবেশের সময় আদালত প্রাঙ্গনে থাকা দলবদ্ধ কিছু ব্যক্তি শামসুদ্দিন চৌধুরীকে বেধড়ক কিলঘুষি মারেন। শারীরিকভাবে তাঁকে লাঞ্ছিত করা হয়।
অনেকে ডিম ছোড়ার পাশাপাশি জুতাও নিক্ষেপ করেন। কেউ কেউ শামসুদ্দিন চৌধুরীর নাম উল্লেখ করে ‘ভুয়া ভুয়া’-সহ বিভিন্ন কটূক্তিমূলক স্লোগান দেন। এই দেশটায় বিচারপতির হেনস্থা, মুক্তিযোদ্ধার হেনস্থা! আর কী বাকি আছে?
আদালতে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি। বিচারপতি মানিকসহ বাকিরা কোন অপরাধী ছিলেন না।
তাঁর নামে কোন মামলা ছিল না। অপরাধ একটাই তিনি তৎকালীন সরকারের পক্ষে কথা বলেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং রাজাকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।
কারো পক্ষে কথা বলা কি অপরাধ ? আর অপরাধ হয়ে থাকলে আইনী প্রক্রিয়ায় সেটার বিচার হতে পারতো। তা না করে কী করা হলো?
হামলা করা হলো পৈশাচিক কায়দায়।
শান্তির দূত ইউনুস সাহেব শান্তিতে নোবেল অর্জন করে দেশটাকে অশান্তির খনি বানিয়ে বিদায় নিয়েছেন বললেও ভুল হবে।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এই তথ্য জানান।
এখনো আরো অনেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সাংবাদিক সুশীল বুদ্ধিজীবী আছেন, এই মানুষগুলোকে জামিন দিলে ওনারা কি পালিয়ে যাবেন? জামিন পাওয়া তো প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।
বিচার কাজ শেষের পরে আদালতে যদি দোষী সাব্যস্ত হয় তার সাজা হবে। কিন্তু বছরের পর বছর জেলে আটক রেখে অসুস্থ মানুষগুলোকে যে শাস্তি দেয়া হচ্ছে এখনো, বিচারে যদি নির্দোষ প্রমাণিত হয়?
এদেশের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী, জঙ্গি, হত্যা মামলার আসামি, চাঁদাবাজ সবাই জামিন পায় কিন্তু বর্ষীয়ান এই মানুষগুলো জামিন পায়না!
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক, শাহরিয়ার কবির, অধ্যাপক আবুল বারাকাত, বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক, সাবেক আইজিপি সহিদুল হক, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেনারেল জিয়াউল আহসান, জননেতা আমির হোসেন আমু, রাশেদ খান মেনন, শাজাহান খান, হাসানুল হক ইনু, ডাক্তার দীপু মনি, ব্যারিস্টার সুমন, সাংবাদিক আনিস আলমগীর, মোজাম্মেল বাবু, শ্যামল দত্ত,
এখনো আরো অনেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সাংবাদিক সুশীল বুদ্ধিজীবী আছেন, এই মানুষগুলোকে জামিন দিলে ওনারা কি পালিয়ে যাবেন? জামিন পাওয়া তো প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।
বিচার কাজ শেষের পরে আদালতে যদি দোষী সাব্যস্ত হয় তার সাজা হবে। কিন্তু বছরের পর বছর জেলে আটক রেখে অসুস্থ মানুষগুলোকে যে শাস্তি দেয়া হচ্ছে এখনো, বিচারে যদি নির্দোষ প্রমাণিত হয়?
এদেশের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী, জঙ্গি, হত্যা মামলার আসামি, চাঁদাবাজ সবাই জামিন পায় কিন্তু বর্ষীয়ান এই মানুষগুলো জামিন পায়না!
