ঢাকা: যে জামায়াত একসময় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘না জায়েজ’ বলেছিল,আজ তারা রাষ্ট্রীয় প্রটোকোলে ফুল দেয়। একুশে ফেব্রুয়ারি তারা যা করলো তা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।
আমার তো মনে হয়, জামাত যদি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসতো, তাহলে গোলাম আযমকে মাতৃভাষা দিবসে ফুল দিতো!
আজ বিরোধীদলে আছে, তাই নাজায়েজ তাদের কাছে জায়েজ হয়েছে। শুধু দেখানোর জন্য এবং গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক হিসেবে দেখানোর প্রোপাগান্ডা আবার শুরু করেছে এই রাজাকারের দল।
মূলত সাদা শকুন নামে পরিচিত শফিকুর রহমান সাদা কাপড়ে তামাশা করতে গেছেন শহীদ মিনারে, তার জানা উচিত ছিলো এখানে যেতে অন্তর থেকে ধারণ করে কেমন কাপড় পরতে হয়।
জামাতের মতো এমন নির্লজ্জ চরিত্র পৃথিবীর আর কোথাও আছে কি না জানা নেই।
জামাত কোনোদিন বাংলাদেশ চায়নি, বাংলা ভাষা চায়নি। তো তারা ফুল দিলো কেন?
শহিদ মিনারে খালি পায়ে হাঁটা, ফুল দেওয়া এবং শহিদের সন্মানে নীরবতা পালন করা এগুলো সব শিরক তাদের কাছে। কারণ তারা রাজাকার, দেশদ্রোহী।
তারা মনে করে, আওয়ামীলীগ একটা ধর্ম আর এই সকল কাজ আওয়ামী লীগ ধর্মের প্রার্থনা। তাহলে জামাত কি আজ আওয়ামী লীগ হয়ে গেলো?
এই শকুনেরা উর্দু ভাষার পক্ষে, পাকিস্তানের পক্ষে। ওরা ৭১ এ আমাদেরকে ধর্ষকদের হাতে তুলে দিয়েছিল, সেই ওরাই আমাদের ভাষা শহীদদের মেরেছিল।
আজ যদি ক্ষমতায় যেতো জামাত তখন এই একুশে ফেব্রুয়ারি এরাই বন্ধ করে দিতো শিরক ঘোষণা দিয়ে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শহীদ মিনারে যাওয়ায় বিশ্বাস না করলেও এখন সেখানে যাওয়া শুরু করেছে এবং এর মাধ্যমে তারা নিজেদের ‘রিব্র্যান্ডিং’ বা নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে। পরিষ্কার মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে পিটিআই মিলনায়তনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ গড়তে আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে রূপকল্প নিয়ে কাজ করছেন, সেখানে আমরা পরিবর্তনের চিত্র দেখতে পাচ্ছি।
একটি সুন্দর দৃশ্য দেখলাম, জামায়াত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গিয়েছে। এটি একটি কমপ্লিট রিব্র্যান্ডিং। তারা আসলে নিজেদের নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামায়াত শহীদ মিনারে যাওয়ার প্রথায় বিশ্বাসী না হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে তারা এই যাত্রা শুরু করেছে।
