ঢাকা: হেডফোন লাগিয়ে সংসদে বসার অভ্যাস নেই তো এভাবে, এখন মহা ঝামেলায় পড়েছে রাজাকারের দল।
সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে বিরাট সমস্যা জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর।
অবশ্য চৌধুরী সাহেব সংসদে হেডফোন নিয়ে আলোচনা না করে সাতকানিয়া লোহাগাড়া কিভাবে উন্নয়ন করা যায়! মাটি কাটা কিভাবে বন্ধ করা যায় এগুলো আলোচনা করলে জনগণের উপকার হতো।
এত লুটপাট করে, দেশ ধ্বংস করে, জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান না দিয়ে এখন কিনা চৌধুরী সাহেব জাতীয় সংসদের নতুন সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন ঘিরে লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন!
এত নাটক দেখলেও হাসি পায়!
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী রবিবার সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, সংসদ সদস্যদের জন্য দেওয়া হেডফোন ব্যবস্থাটি অপ্রয়োজনীয় এবং এর মাধ্যমে বাজেটের অর্থ অপচয় করা হয়েছে।
মাথার থেকে হেডফোন বড়। বিরাট বোঝা হয়ে গেছে তার। এতদিন লুটপাট করেছেন, অর্থ বোঝা হয়নি, এখন হেডফোন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শাহজাহান চৌধুরী হেডফোন দেখিয়ে বলেন,
“এখন এত বড় বোঝা। এটা মনে হয় একটা বাজেট করেছিল, আর ওখান থেকে লুটপাট বাহিনীরা একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছেন।”
জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, অতীতের সংসদ অধিবেশনগুলোতে এ ধরনের ভারী হেডফোন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এমপি শাহজাহান চৌধুরী আগে ১৯৯১ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন।
তিনি বলেছেন, “আমরা তো আরও দুইবার সংসদে এসেছি, আপনিও এসেছেন। কিন্তু এত বড় একটা বোঝা মাথার ওপর দিয়ে এক-দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর হচ্ছে।”
“এত বড় বোঝার দরকার নেই। একটা সাধারণ হেডফোন দিলেই আমরা শুনতে পারি। অথবা হেডফোন ছাড়াই সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিক করলে আরও ভালো হয়।”
