ঢাকা: স্ববিরোধী কথাবার্তায় জামায়াত মাহির। যারা নিজেরা সন্ত্রাসী তারা বলে কিনা সন্ত্রাসবাদ প্রশ্রয় দেয় না।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলন যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখন ১১ দফাসহ বিভিন্ন দাবির বিরোধিতা করে জামায়াত।
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করতে রাজাকার, আলবদর, আলশামস্ নামে বিভিন্ন দল গঠন করে জামায়াত ও এর তখনকার ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ, যার নাম এখন ইসলামী ছাত্র শিবির।
সে সময় তারা সারা দেশে ব্যাপক হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটের মত যুদ্ধাপরাধ ঘটায়। আদালতে ঘোষিত যুদ্ধাপরাধ মামলার বিভিন্ন রায়ে বিষয়গুলো উঠে আসে। একটি মামলার রায়ে একাত্তরের ভূমিকার জন্য জামায়াতে ইসলামীকে ‘ক্রিমিনাল দল’ আখ্যায়িত করা হয়।
জামায়াতে ইসলামী কোনো সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করবে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতে নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্ট করে এই কাঁঠালের আমসত্ত্ব কথা জানান তিনি।
জামায়াত আমির লেখেন, ‘পাবনার ইশ্বরদীতে আজ যা ঘটে গেল তা হঠাৎ করে হয়নি। বিএনপির দলীয় প্রার্থীর অসহিষ্ণু, অগণতান্ত্রিক ও উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ড বারবার প্রমাণ করছে— এটি ব্যালটের যুদ্ধ নয় বরং বুলেট দিয়ে তিনি তার সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চান।’
তিনি আরও লিখেন, ‘প্রশাসন যে সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে আসছে, জনগণ দেখতে চায় প্রশাসন কী করে। তবে সন্ত্রাসীর ব্যাপারে আমাদের বার্তা হলো— জামায়াত কোনো সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করবে না।’
তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’
