ঢাকা: অপ্রকাশ্যে দেড় বছর সরকার চালিয়েছে জামাত-এনসিপি। ইউনূসের বড় হৃদয়ের তারা। ইউনূস আর জামাত দুই ভাই। তাই দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু যখন ইউনূসের ষড়যন্ত্র সব ফাঁস করে দিয়েছেন, তখন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের গা ভীষণ জ্বলেপুড়ে উঠেছে।

ইউনূস সরকার ছিলো জামাত প্রভাবিত। আওয়ামী সরকার পতনের পর ইউনুস আমলে সবচেয়ে সুবিধা পাওয়া দলটি ছিলো জামাত। সে সময়ে বড় ধরনের চালাকি করে এই দলটি যাতে ক্ষমতার মসনদে বসতে পারে।

জামাত চেয়েছিলো ইউনুস সরকারকে ৫ বছর ক্ষমতায় রাখতে,

জামাত চেয়েছিলো আগে স্থানীয় নির্বাচন (মেয়র ইলেকশন)।

জামাত আরো চেয়েছিলো পিআর এর মাধ্যমে নির্বাচন।

জামাত চেয়েছিলো আগে গণভোট, পরে জাতীয় নির্বাচন।

জামাত চেয়েছিলো নোট অব ডিসেন্ট ছাড়া গণভোট হবে।

জামায়াত এখন ইউনূসের পক্ষে নেমে পড়েছেন ওকালতি করতে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বিষয়ে নাকি মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহবুদ্দিন জাতিকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন! সব খোলসা হচ্ছে, জামাতের নামটাও চলে আসতে পারে- তাই হন্তদন্ত এরা।

এই দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

কী বলছেন এই মিথ্যাবাদী একবার শুনবো:

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন তিনি।

পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর আমির লিখেন, ৫ই আগস্ট ২০২৪ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই চেপে গিয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বিষয়ে উনি উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতিকে যা জানিয়েছিলেন তার বর্তমান বক্তব্যে তিনি তা স্বীকার করেননি। আর এখন যা বলছেন সেদিন তার কিছুই তিনি বলেননি।

তিনি লেখেন, কোটি-কোটি মানুষ যা শুনলো এবং সেদিন তিনি যা বললেন আর এখন যা বলছেন তার হিসেব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি? জাতি অবুঝ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে এ রকম আচরণ অগ্রহণযোগ্য।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *