ঢাকা: ইউনূস সরকারের সমালোচনার দায়ে গ্রেফতার হওয়া সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন হয়েছে।
ইউনূসের সরকার সাংবাদিক গ্রেফতার করে বাকস্বাধীনতা রোধ করেছিলো।
আনিস আলমগীর স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাংবাদিক।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
শুধু নিজের স্বাধীন মতামত প্রকাশের অপরাধে সাংবাদিক আনিস আলমগীর ভাইকে বন্দী করে জেলে পুরে রাখে ইউনুস গং এবং তার সহযোগীরা!
তারা সে সময় মানুষের মৌলিক অধিকার ভিন্নমতের লোকজনের জামিন নির্লজ্জভাবে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল।
এখনো যারা অবরুদ্ধ আছেন, তাঁদের মুক্তি দেয়া হোক!
এদিন আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানির করেন আইনজীবী আসলাম মিয়া।
এর আগে গত ২২ জানুয়ারি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।
উল্লেখযোগ্য যে, রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত বছরের ডিসেম্বর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়।
গত ১৫ ডিসেম্বর আনিস আলমগীরকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়। সেদিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়।
কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় তাঁকে, বিনা অপরাধে জেল খাটা। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে আছেন।
