ঢাকা: আজ জাতীয় সংসদের সাবেক মাননীয় স্পিকার, সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও নজিরবিহীন হয়রানির ঘটনায় মনে হচ্ছে বাংলাদেশ জঙ্গী ইউনূসের আমলেই পড়ে আছে।
সবসময় দেশ ও মানুষের মঙ্গলের জন্য কথা বলা, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম মেধাবী, উচ্চশিক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, একজন মাটির মানুষকে এভাবে মিথ্যা ও ভুয়া মামলায় গ্রেফতার ও জুলুম রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় অরাজকতা এবং বিচারহীনতার সুস্পষ্ট প্রমাণ।
দীর্ঘ ১৮ মাসে হামের টিকার নতুন যোগান না থাকার ব্যর্থতার কারণে আজ শয়ে শয়ে শিশুরা মারা যাচ্ছে। দেশের মানুষ এখন হাহাকার করছে তেলের জন্য। দেশে জ্বলন্ত সমস্যার তো শেষ নেই।
এমন অবস্থায় সকল কিছু ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নতুন এক-দুইটা ইস্যু প্রয়োজন।তারই প্রতিফলন হিসেবে হাজির করা হয়েছে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর গ্রেফতার।
এই মানুষটিকে দেখলেই সবাই বুঝতে পারবে কি পরিমাণ অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী জঙ্গী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
একই সাথে আসামিপক্ষের জামিন আবেদনও খারিজ করা হয়েছে।
এই মামলা যে বানানো, ভুয়া তা সারা দেশ জানে।
আজ, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এই আদেশ দেন।
শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে নেওয়ার সময় আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত জনতা, সমর্থকেরা ‘জয় বাংলা’ ‘জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শিরীন আপার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ স্লোগান দিয়ে তাঁকে সমর্থন জানান। এবং জানিয়ে দেন সমর্থন সবসময় তাঁর সাথে থাকবে।
এদিন এ মামলায় শিরীন শারমিনের দুদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মোকছেদুল হাসান মন্ডল রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।
আদালত উভয়পক্ষের আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) ওমর ফারুক আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
