ঢাকা: অর্থাৎ জুলাই জঙ্গী আন্দোলনে যারা দেশ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করেছে, তার কোনো বিচার হবে না! সব ঝুলাই যোদ্ধারা এখন মুক্ত আকাশে উড়ে বেড়াবে। উড়ে বেড়াচ্ছেন! আইন তো তাদের সে অধিকার দিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশে জুলাই জঙ্গী সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র হামলা করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে।
দখলদার বাহিনী তাদের মনগড়া নির্বাচন দিয়ে ভাগ বন্টন করে সংসদের আসন ভাগ করে নেয়।

এই দখলদার সরকার বাংলাদেশ সৃষ্টিকারি দল আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করে।

বিএনপি আজ কী মনে করছে? তারা খুব প্রশংসিত হবে? জামাত শিবিরের গোষ্ঠী বিএনপির কথায় চলবে? নাহ! দেখতে থাকেন!

জুলাই জঙ্গী হামলা করে রাষ্ট্রের সম্পদ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করে ১৭/১৮ মাসে হাজারো কোটি টাকা দুর্নীতি লুটপাটকারী , রাষ্ট্রের জানমাল সম্পদ রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ ভাইদের প্রকাশ্যে হত্যা, থানা ভাঙচুর, অস্ত্র লুটপাটকারী জঙ্গী রাজাকার বাহিনীদের যদি বিচার না হয়, এরা আরো শক্ত হয়ে ভবিষ্যতে দেশকে পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে পরিণত করবে।

আর এটার খুব বেশিদেরি নেই।

জঙ্গী গডফাদার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনুস সারা দেশকে নরক বানিয়েছে।

গণঅভ্যুত্থানবিরোধীদের কেউ হতাহত হয়ে থাকলে এর বিচার হবে না। এ জন্য জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে বুধবার সংসদে বিল পাস হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিলটি আইনে পরিণত হবে।

বুধবার (৭ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের একাদশ দিনে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

গত ২৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ জারি করেছিল। কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অধ্যাদেশটি আইনে পরিণতি হতে যাচ্ছে।

এতে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জুলাইযোদ্ধারা যা করেছেন, তা বৈধ। এ নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

সরকারি হিসাবে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় অভ্যুত্থানকারীদের প্রতিরোধে ৪৪ পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত হন অনেকে। সেই সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কয়েকজন নিহত হয়েছেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল অনুযায়ী, এসব হতাহতের ঘটনা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে ঘটে থাকলে বিচার হবে না। তবে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে কেউ হতাহতের ঘটনা ঘটালে বিচার হবে। তা তদন্ত করবে মানবাধিকার কমিশন।

ধিক্কার! ধিক্কার!

উল্লেখযোগ্য যে, ৪ ও ৫ ধারায় অভ্যুত্থানকারীদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ৪ ধারায় বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার কারণে কারও বিরুদ্ধে মামলা হলে তা প্রত্যাহার হবে।

তবে সরকার প্রত্যয়ন করবে, মামলাটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে দায়ের করা হয়েছিল কিনা। তেমন হলে মামলা চলমান থাকলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাসপ্রাপ্ত বলে গণ্য হবেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *